গত একশো বছরে দুনিয়াজুড়ে এমন ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যায়নি। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চিনের সামরিক বাহিনীকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের সেনাবাহিনীর উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট তথা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের সভাপতি শি জিনপিং।
তিনি দেশের আপৎকালীন ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাবাহিনীকে। দুনিয়ার অন্যতম বড় শক্তি চিনের রাষ্ট্রপতির এই নির্দেশিকার খবরে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন দেশে।
কিন্তু, হঠাৎ কেন চিনা প্রেসিডেন্ট এমন নির্দেশ দিলেন ? কূটনীতিবিদরা বলছেন, আমেরিকার সঙ্গে দক্ষিণ চিন সাগরে টানাপোড়েন বাড়ছে দেশের। অন্যদিকে, তাইওয়ানের মর্যাদার ইস্যুতেও চিন ও তাইওয়ানের মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় জিনপিং সেনাবাহিনীকে উদ্বুদ্ধ করতেই এমন বার্তা দিলেন।
শুক্রবার দেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, একশো বছরে পৃথিবীর আমূল পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, এই পরিবর্তিত সময়ে দেশের সেনাবাহিনীকেও আধুনিক যুদ্ধ কৌশল রপ্ত করতে হবে। জোরদার করতে হবে আপৎকালীন ব্যবস্থা। প্রেসিডেন্টের উদ্বেগ, যে কোনও মুহূর্তে নিতে হতে পারে যুদ্ধ প্রস্তুতি!
কিছুদিন আগে তাইওয়ানের নিরাপত্তার বিষয়ে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘এশিয়া রিঅ্যাশিওরেন্স ইনিশিয়েটিভ অ্যাক্ট’ কে আইনে রূপান্তরিত করেছেন। ঠিক এরপরেই, তাইওয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন চিনা প্রেসিডেন্ট। দ্বীপ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা রক্ষার্থের প্রয়োজনে চিনা সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানো হবে বলে সেখানে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সেই সূত্রেই শুক্রবার দেশের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেন জিনপিং।