ব্যর্থতায় ভেঙে পড়লে চলবে না, পরীক্ষা পে চর্চায় মোদীর মুখে রাহুল দ্রাবিড়, লক্ষ্মণ, কুম্বলে থেকে চন্দ্রযান

ব্যর্থতাই সাফল্য আনে, এ কথা মনে রাখতে হবে। বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার দিল্লির তালকাটরা স্টেডিয়ামে বোর্ডের পরিক্ষার্থীদের সামনে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পড়ুয়াদের মনে করিয়ে দিলেন, ব্যর্থতার জন্য ভেঙে পড়লে চলবে না। পরীক্ষায় ভালো ফল অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু সেটাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। তার বাইরে আরও অনেক কিছু করার আছে। তিনি বলেন, প্রযুক্তি অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সারাদিন ধরে কেউ গ্যাজেট নিয়েই ব্যস্ত থাকবে। আমি এমনও দেখেছি, পরিবারে হয়ত চারজন লোক। চারজনই গ্যাজেট নিয়ে ব্যস্ত। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলার সময় পাচ্ছে না। পরীক্ষা, গ্যাজেট- এসবের বাইরেও কত কিছু করার আছে। ব্যর্থতায় ভেঙে পড়ার প্রসঙ্গে মোদী উল্লেখ করেন চন্দ্রযান ২-এর কথা। তিনি জানান, তাঁকে অনেকেই ওইদিন ইসরোতে যেতে বারণ করেছিলেন। বলেছিলেন, যদি অভিযান সফল না হয়, তাহলে কী করবেন? মোদী বলেন, আমি বলেছিলাম, তার জন্যই তো আমি যাব। পরে কী হয়েছিল, সে তো সকলেই জানেন।
পড়ুয়াদের কাছে তিনি টেনে আনেন ক্রিকেটার অনিল কুম্বলের কথা। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই মনে আছে ২০০১ সালের ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া খেলার কথা। ভারত তখন ব্যর্থতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। আমরা মুষড়ে পড়ছিলাম। কিন্তু রাহুল দ্রাবিড় এবং ভি ভি এস লক্ষ্মণ ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। আবার চোট নিয়ে অনিল কুম্বলে অসাধ্য সাধন করেছিলেন। এটাও তো প্রেরণা। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরীক্ষাই জীবনের সব, এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধূলো সহ অন্য কাজও করতে হবে। তা না হলে মানুষ রোবট হয়ে যাবে। এর জন্য সময় বার করতে হবে, জানতে হবে টাইম ম্যানেজমেন্ট। অভিভাবকদের তিনি বলেন, ছেলেমেয়েদের উপর কোনও কিছু চাপিয়ে দেবেন না। তাদের নিজেদের মতো করে ভাবনার পরিসর দিতে হবে।

 

Comments are closed.