দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: ভারতীয় মধ্যবিত্তের ভরসা এবং হিরো মোটোকর্পের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাইক স্প্লেন্ডর (Hero Splendor) ফের একবার নতুন রূপে বাজারে আসতে চলেছে। সম্প্রতি কোম্পানির নতুন একটি বাইকের পেটেন্ট নথি প্রকাশ্যে এসেছে, যা দেখে অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি স্প্লেন্ডরেরই পরবর্তী প্রজন্মের কোনো উন্নত মডেল হতে পারে। সংস্থার নতুন এই উদ্যোগ বাজারে বাইক প্রেমীদের মধ্যে যথেষ্ট কৌতুহল তৈরি করেছে।
পেটেন্ট ছবিতে কী কী বিশেষত্ব দেখা যাচ্ছে? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া পেটেন্ট ছবি থেকে বাইকটির বেশ কিছু আধুনিক ফিচারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এতে রেট্রো এবং আধুনিক ডিজাইনের এক দারুণ মিশ্রণ লক্ষ্য করা গেছে। বাইকের নতুন হ্যান্ডেলবার, ডিজিটাল কনসোল এবং এলইডি লাইটিংয়ের মতো আধুনিক ফিচারের উপস্থিতি স্পষ্ট। ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোম্পানি আগের চেয়ে বেশি মাইলেজ এবং উন্নত পারফরম্যান্স দেওয়ার চেষ্টা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কবে নাগাদ বাজারে আসতে পারে? হিরো মোটোকর্পের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে অটোমোবাইল বাজারের বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষভাগে অথবা ২০২৭ সালের শুরুতে এই নতুন মডেলটি বাজারে আসতে পারে। বর্তমানে হিরো তাদের পোর্টফোলিওকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন সেগমেন্টে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও ডিজাইন নিয়ে কাজ করছে। এই নতুন স্প্লেন্ডর মূলত তরুণ প্রজন্মের ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হচ্ছে।
মাইলেজ ও পারফরম্যান্সের প্রতিশ্রুতি স্প্লেন্ডরের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হল এর সাশ্রয়ী মাইলেজ এবং রক্ষণাবেক্ষণের সহজলভ্যতা। নতুন মডেলে সংস্থাটি ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন (FI) প্রযুক্তির আরও উন্নত সংস্করণ ব্যবহার করতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে হোন্ডা বা টিভিএস-এর সমকক্ষ বাইকের সঙ্গে পাল্লা দিতে হিরো এই বাইকে কি কি নতুন প্রযুক্তি যোগ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ভারতের রাস্তাঘাটে স্প্লেন্ডর বাইক মানেই এক দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যের নাম। নতুন এই পেটেন্ট ডিজাইন যদি বাস্তবের রূপ পায়, তবে তা টু-হুইলার বাজারে ফের এক বড় ধামাকা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।




