দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: ভারতের গাড়ির বাজারে নিজেদের আধিপত্য আরও মজবুত করতে বিশাল পরিকল্পনা নিয়ে নামছে টাটা মোটরস। ২০৩১ অর্থবর্ষের মধ্যে সংস্থার যাত্রী গাড়ির পোর্টফোলিও ১৫টি মডেলে নিয়ে যাওয়ার মেগা ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছে তারা।
৬টি সম্পূর্ণ নতুন নেমপ্লেট ও ২০টির বেশি আপডেট সম্প্রতি ইনভেস্টর ডে প্রেজেন্টেশনে টাটা মোটরস জানিয়েছে, শুধু পুরনো গাড়ির আপডেট নয়, বাজারে একেবারে নতুন ৬টি নেমপ্লেট আনতে চলেছে তারা। এর পাশাপাশি বর্তমান লাইনআপে ২০টির বেশি প্রোডাক্ট ইন্টারভেনশন বা প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করা হবে। এর মধ্যে থাকছে ফেসলিফ্ট, ফিচার আপগ্রেড এবং ইঞ্জিন ও পাওয়ারট্রেন আপডেট। গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পেট্রল ও ডিজেলের পাশাপাশি সিএনজি এবং ইভি মডেলে বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে।
ইলেকট্রিক মডেলে বিশেষ জোর, লক্ষ্য ৩০ শতাংশ বাজার ভবিষ্যতের গাড়িবাজার যে ইলেকট্রিক গাড়ির দখলে যাবে, তা ভালভাবেই জানে টাটা। এই মুহূর্তে ভারতের ইভি বাজারে অন্যতম শক্তিশালী সংস্থা তারা। আগামী দিনে এই অবস্থান আরও মজবুত করতে ইভি পোর্টফোলিওতে গাড়ির সংখ্যা বর্তমান ৬টি থেকে বাড়িয়ে ১০টি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থার লক্ষ্য, ২০৩১ সালের মধ্যে মোট বিক্রির ৩০ শতাংশ যেন ইলেকট্রিক গাড়ি হয়। সংখ্যার হিসেবে যা বছরে প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ লক্ষ ইউনিট।
আরও পড়ুন: 2026 Bajaj Pulsar 220F: ১.৩৬ লক্ষ টাকায় লঞ্চ হল নতুন পালসার, জানুন বিশেষত্ব
নজরকাড়া সিয়েরা এবং সাফারি ইভি গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ রয়েছে টাটা সিয়েরা ইভি নিয়ে। অটোমোবাইল দুনিয়ার খবর, খুব শীঘ্রই বাজারে আত্মপ্রকাশ করতে পারে এই মডেল। এরপর উৎসবের মরসুমে লঞ্চ হতে পারে সাফারি ইভি। এছাড়াও প্রিমিয়াম সেগমেন্টে পা রাখতে নেক্সট জেনারেশন আর্কিটেকচার নির্ভর অভিন্ন্যা (Avinya) ইভি রেঞ্জ নিয়েও কাজ করছে সংস্থা।
বার্ষিক ১২ লক্ষ গাড়ি বিক্রির টার্গেট বর্তমানে টাটা মোটরসের বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ প্রায় ৬.৪ লক্ষ ইউনিট। ২০৩১ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১২ লক্ষে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতের প্যাসেঞ্জার ভেহিকেল মার্কেটে ১৮ থেকে ২০ শতাংশ মার্কেট শেয়ার দখল করতে চাইছে তারা। এই বিশাল চাহিদা মেটাতে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সংস্থার উৎপাদন ক্ষমতা ৯ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ১৩ লক্ষ ইউনিটে তোলার কাজও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: AI আগামী বিশ্বের জন্য বিপদজনক; আশঙ্কার কথা জানিয়ে চাকরি ছাড়লেন খোদ সৃষ্টিকর্তা




