দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: দিল্লির নতুন ইভি নীতি ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার আগ্রহ বেড়েছে মধ্যবিত্তের মধ্যে। সাশ্রয়ী মূল্যে বর্তমানে বাজারে বেশ কিছু সেরা অপশন রয়েছে, যা একদিকে যেমন পকেটে সাশ্রয় করে, অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের সুবিধাও দেয়। টাটা মোটরস থেকে এমজি বা সিট্রোয়েন, ভারতের বাজারে এখন একগুচ্ছ ইলেকট্রিক গাড়ি প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে।
বাজেটের মধ্যে সেরা মডেলসমূহ বর্তমানে ভারতের ইলেকট্রিক গাড়ির বাজারে টাটা টিয়াগো ইভি (Tiago EV) এবং টাটা পাঞ্চ ইভি (Punch EV) বেশ জনপ্রিয়। টিয়াগো ইভি তার কম্প্যাক্ট ডিজাইন এবং পারফরম্যান্সের জন্য শহরের যাতায়াতে আদর্শ। অন্যদিকে টাটা পাঞ্চ ইভি এসইউভি স্টাইল পছন্দ করা ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ। এমজি কমেন্ট ইভি (MG Comet EV) তার ক্ষুদ্রাকৃতির ডিজাইনের জন্য যানজটপূর্ণ রাস্তায় চলাচলের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া সিট্রোয়েন ই-সি৩ (Citroen eC3) এবং টাটা টিগোর ইভি (Tigor EV)-ও সাশ্রয়ী ক্রেতাদের জন্য দারুণ বিকল্প।
কেন ইলেকট্রিক গাড়ি সেরা বাছবেন? নতুন দিল্লি ইভি নীতি ২০২৬-এর অধীনে সরকারি ভর্তুকি এবং কর ছাড়ের সুবিধা মেলায় এই গাড়িগুলির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ পেট্রোল বা ডিজেল গাড়ির তুলনায় অনেক কম। এই গাড়িগুলিতে দ্রুত চার্জিং এবং উন্নত ব্যাটারি প্রযুক্তির সুবিধা রয়েছে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ দিলে শহরের রাস্তায় প্রায় ২০০ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত মাইলেজ পাওয়া সম্ভব, যা দৈনিক যাতায়াতের জন্য যথেষ্ট।
আরও পড়ুন: Maruti Suzuki Brezza Facelift: নতুন রূপে আসছে ব্রেজা, থাকছে টার্বো ইঞ্জিন ও ভেন্টিলেটেড সিট
কেনার আগে কী খেয়াল রাখবেন? ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার সময় ব্যাটারি রেঞ্জ, চার্জিং নেটওয়ার্ক এবং আফটার সেলস সার্ভিস খতিয়ে দেখা জরুরি। টাটা মোটরসের দেশব্যাপী সার্ভিস নেটওয়ার্ক থাকায় টাটা টিয়াগো বা পাঞ্চ ইভি গ্রাহকদের কাছে বাড়তি সুবিধা দেয়। তবে এমজি কমেন্ট ইভি ছোট পরিবারের জন্য খুবই সাশ্রয়ী। কেনার আগে আপনার প্রতিদিনের যাতায়াতের দূরত্ব এবং চার্জিংয়ের সুবিধা বিবেচনা করেই মডেল বেছে নেওয়া উচিত।




