১৯৮১ সালে তিহাড় জেলে যোগ দেন সুনীল গুপ্তা। প্রথমে জেল সুপার তারপর পদোন্নতি পেয়ে শেষপর্যন্ত জেলের মুখপাত্র ও আইনি পরমর্শদাতা। তিহাড়ে চাকরি জীবন শেষে সুনীল গুপ্তা দিল্লি হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ছিলেন দিল্লি হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যও। তিহাড়ে কাজের সূত্রেই পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পুরষ্কারও।