Take a fresh look at your lifestyle.

কর্ণাটকে বিধায়ক কিনে জেডিএস-কংগ্রেস জোট সরকার ফেলতে সক্রিয় হয়েছে বিজেপি, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কংগ্রেস মন্ত্রীর

কর্ণাটকের কংগ্রেস-জেডি(এস) জোট সরকারকে কি ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি? কংগ্রেস মন্ত্রীর এমনই চাঞ্চল্যকর দাবিতে তোলপাড় কর্ণাটকের রাজ্য রাজনীতি। রবিবার কর্ণাটকের কংগ্রেস নেতা এবং রাজ্যের মন্ত্রী ডি কে শিবকুমার দাবি করেছেন, তাঁর দলের ৩ বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। মুম্বইয়ের এক হোটেলে ওই ৩ কংগ্রেস বিধায়কের সঙ্গে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠক করেছে বলে দাবি করেছেন ডি কে শিবকুমার।
শিবকুমারের দাবি, কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারকে ফেলার বিনিময়ে ওই কংগ্রেস বিধায়কদের মোটা অঙ্কের টাকা দিতে চেয়েছে বিজেপি। আস্তে আস্তে সব ষড়যন্ত্রই ফাঁস হবে বলে হুমকি দেন শিবকুমার। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীরও একহাত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা। সব কিছু জানা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি সম্পর্কে অজানা কারণে চুপ রয়েছেন বলে কটাক্ষ করেন তিনি। প্রায় সব বিধায়ক এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীকে ওয়াকিবহাল করলেও, মুখ্যমন্ত্রী যেন ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর জায়গায় তিনি থাকলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ‘ব্যবস্থা’ নিতেন বলে আক্রমণ শানিয়েছেন শিবকুমার। সূত্রের খবর, ওই ৩ কংগ্রেস বিধায়ক হলেন, বিজয়নগরের বিধায়ক আনন্দ সিংহ, বেল্লারি এলাকার বিধায়ক নগেন্দ্র ও গোকাক কেন্দ্রের বিধায়ক রমেশ জারকিহোলি।
কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, শাসক দলের নেতাদের ভাঙিয়ে নিজের সরকার গড়া বিজেপির পুরনো রাজনৈতিক চাল। এর আগেও ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত এই খেলা খেলেছিল বিজেপি। এই ‘অপারেশন কমলা’, অর্থাৎ অন্য দলের নেতাকে ভাঙিয়ে গেরুয়া শিবেরে ঢোকানোর খেলা তারা ফের লোকসভা নির্বাচনের আগে খেলছে বলে দাবি করেন কংগ্রেস নেতা।
২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১০৪ টি আসন দখল করেও ১১৩-র ম্যাজিক নম্বর ছুঁতে না পারায় সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি। অন্যদিকে, জেডি(এস)-কংগ্রেস জোট মোট ১২০ টি আসন পেয়ে সরকার গড়ে ফেলে।
এই অবস্থায়, সরকার না গড়তে পেরে মরিয়া বিজেপি চাইছে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী বিধায়কদের গেরুয়া ছাতার তলায় আনতে। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই এগোচ্ছে বিজেপি। সূত্রের খবর, আর শঙ্কর, জে এন গণেশ, মহেশ কামাথালি, কে সুধাকর, বি সি পাতিলসহ কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন প্রথম সারির নেতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বিজেপি নেতৃত্ব। লোকসভা ভোটের আগে কর্ণাটকে জেডিএস-কংগ্রেস সরকারকে ফেলে দিতে পারলে মানসিকভাবে অনেকটাই উজ্জীবিত হবে গেরুয়া শিবির।

Comments are closed.