গত ৩রা জানুয়ারি হরতালে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সম্পত্তির খেসারত দিতে হবে সাবরীমালা কর্মসমিতি ও আরএসএস নেতাদের, নির্দেশ দিল কেরল হাইকোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে গত ৩রা জানুয়ারি কনকদুর্গা ও বিন্দু নামে দুই মহিলা সাবরীমালা মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন। দুই ঋতুমতী মহিলা মন্দিরে প্রবেশ করে আয়াপ্পা দেবকে অপবিত্র করেছেন, এই অভিযোগে তীব্র আন্দোলন শুরু করেছিল সাবরীমালা মন্দির সমিতি, আরএসএস-সহ কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালায় বিজেপি, আরএস ও অন্যান্য অতি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। আন্দোলনকারীরা ভাঙচুর ও আগুন লাগায় একের পর এক সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তিতে। ওইদিন ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে অন্তত এক হাজার অভিযোগ দায়ের হয় রাজ্যের বিভিন্ন থানায়।
কেরল সরকার ৯৯০ টি দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়ে আদালতে আবেদন করে। সরকারপক্ষ দাবি করে, আনুমানিক ১ কোটি টাকার ব্যক্তিগত সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্দোলনকারীদের হিংসায় ৩৮ লক্ষ টাকার সরকারি সম্পত্তিরও ক্ষতি হয়েছে। এই খতিয়ান তুলে ধরে সাবরীমালা কর্মসমিতি ও আরএসএস নেতৃত্বকেই এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে আদালতে দাবি জানায় পিনারাই বিজয়ন সরকার।
সওয়াল-জবাব শুনে এবং বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে, শুক্রবার কেরল হাইকোর্ট সাবরীমালা মন্দির কমিটি, আরএসএস নেতৃত্বকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সাবরীমালা কর্মসমিতির নেতৃত্বে রয়েছেন অমৃতানন্দ মায়ি, কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এন কুমার, প্রাক্তন ডিজিপি টি পি সেনকুমার, কেরল পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডঃ কে এস রাধাকৃষ্ণণ প্রমুখ বিশিষ্টরা।
৩রা জানুয়ারি কেরল জুড়ে ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আরএসএস ও সাবরীমালা কর্মসমিতিকে, নির্দেশ হাইকোর্টের





