শুক্রবার সন্ধ্যায়ও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, আরও ৩-৪ দিন চলবে কালবৈশাখী

সকালের দিকে রোদ আর বিকেল হলেই মেঘে ঢাকা আকাশ, সঙ্গে বৃষ্টি। গত দু’দিন এটাই কলকাতার আবহাওয়ার চরিত্র। যার ফলে গরম থেকে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে। শুক্রবারও এর অন্যথা হচ্ছে না। এদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি হবে বলে জানাল হাওয়া অফিস।
শুধু কলকাতাই নয়, রাজ্যের প্রায় সর্বত্র বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি আর ঝড়ের পূর্বভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হাওড়াতে।
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বিহার ও উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যার ফলে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির হতে পারে। কোথাও কোথাও হালকা আবার কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
এ দিন কলকাতার তাপমাত্রার তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। বৈশাখের ঝড়বৃষ্টি যে তাপমাত্রা খানিকটা নামাতে পেরেছে তা বলাই যায়।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে হাওয়াও বইতে পারে বলে শুক্রবার। ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে, জানিয়েছে হাওয়া অফিস। শনি ও রবিবার ঝড়-বৃষ্টির প্রকোপ আরও বাড়তে পারে কিছু জেলায়।
এদিকে এপ্রিল মাসের শেষ অথবা মে মাসের প্রথমার্ধে বঙ্গোপসাগরে হানা দিতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘উম্পুন’। আবহবিদরা জানিয়েছেন, মে মাসের প্রথমেই আন্দামান সাগর লাগোয়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। বর্ষার আগে এবং বর্ষার পরে দু’দফায় ঘূর্ণিঝড়ের মরশুম। এই সময় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সহায়ক পরিবেশ থাকে। তারই হাত ধরে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হবে। যার প্রাথমিক ভাবে প্রভাব পড়বে আন্দামান-নিকোবরের দ্বীপগুলিতে।

Comments
Loading...