জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী। এই ধারাবাহিকের শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে যে জগদ্ধাত্রী বাড়ির মধ্যে একরকম আর বাইরে একরকম। বাড়ির মধ্যে সে সাত চড়ে রা কাটে না, সব সময় শান্তশিষ্ট চুপচাপ থাকে বাড়ির সব কাজ মুখ বুজে করে। কিন্তু এই জগদ্ধাত্রী আবার বাইরে অন্যরকম।
একটা স্পেশাল ডেফ এন্ড মিউট স্কুলের নাম করে সে বাড়ির বাইরে বেরোয় কিন্তু কেউ জানে না সে আদপে কী করে? একমাত্র তার বন্ধু স্বয়ম্ভূ ছাড়া। স্বয়ম্ভূ একমাত্র জানে যে, জগদ্ধাত্রী আসলে কী? বাড়ির বাইরে বেরোলেই শান্তশিষ্ট মেয়েটা হয়ে যায় ডাকাবুকো। সে হয়ে ওঠে স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ অফিসার। দুষ্কৃতিদের একা হাতেই দমন করে।অথচ সব থেকে আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো এই যে সে বাড়িতে এমন থাকে যেন সে কোন কথারই প্রতিবাদ করতে পারে না সে খুব ভীতু একটা মেয়ে। অথচ বাইরে গেলেই সে অন্যরকম। কখনো গুন্ডা পেটায়, কখনো লড়াই করে।
সম্প্রতি জগদ্ধাত্রীর একটি প্রোমো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে জগদ্ধাত্রীর হাতে একটি ভালো শাড়ি আছে, সেই শাড়ি নিয়ে সবাই প্রশ্ন করছে যে কোথা থেকে সে শাড়িটা পেলো? এমন সময় জানা যায় যে, স্বয়ম্ভূ তাকে এই শাড়িটা দিয়েছে। এই নিয়ে নতুন করে এক পর্যায়ের হেনস্থা শুরু হয়।
আরও পড়ুন: Kavya Maran Wedding: অনিরুদ্ধর সঙ্গে কি বিয়ের পিঁড়িতে কাব্য মারান? ছড়াল জল্পনা
কিন্তু কারোর কোন কথারই উত্তর দেয় না জগদ্ধাত্রী, এমন সময় জগদ্ধাত্রীর ঠাকুমা এসে বলে যে, এটাই তো ওর দোষ। মেয়েটা কারোর কোন কথারই কোন উত্তর দিতে চায়না। পৃথিবী শুদ্ধ সবাইকেই ও খুব ভয় পায়, আবার সবাইকে ও খুব ভালোওবাসে। এরপর তার বোনেরা বলে যে, স্কুলের নাম করে ও লীলা খেলা করতে যায়। এই কথারও কোনো প্রতিবাদ করে না সে।এমন সময় সেখানে স্বয়ম্ভূ আসে।




