দুয়ারে সরকারের পর পৌঁছে গেল দুয়ারে রেশন। একুশের ভোটে মমতা ব্যানার্জির অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল দুয়ারে রেশন। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে বীরভূম, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম বর্ধমানের কয়েকটি জায়গায় চালু হয়ে গেল দুয়ারে রেশনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। শুক্রবার থেকে ২৩৪ জন রেশন গ্রাহকের বাড়ির দুয়ারে পৌছে গেল রেশন। করোনা পরিস্থিতিতে দুয়ারে রেশন পেয়ে সন্তুষ্ট গ্রাহকরা।
বৃহস্পতিবার জঙ্গলমহল, বেলপাহাড়ি এলাকার সাঁতবাকি গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে দুয়ারে রেশন পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়। রেশন সামগ্রী বন্টন করা হয়েছিল বিভিন্ন শিবিরে। পরীক্ষামূলক ওই শিবিরের রিপোর্ট পাওয়ার পর শুক্রবার থেকে কয়েক জায়গায় দুয়ারে রেশন প্রকল্প শুরু করল সরকার।
সূত্রের খবর, এদিন রাজ্যের ৬টি জোনের ২৩৪ জন রেশন গ্রাহকের বাড়ির দরজায় রেশন পৌঁছে দেওয়া হয়। কার্ড অনুযায়ী ঠিক যাঁর যতটা প্রাপ্য, তাঁর দুয়ারে ততটা রেশনসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ফের অঙ্গদানের নজির শহরে, ব্রেন ডেথের পরেও তিন জনকে নতুন জীবন দিলেন চিকিৎসক
খাদ্য দফতর সূত্রে খবর, এদিন হুগলির বাঁশবেড়িয়া, আসানসোল, হাওড়ার বালি-বেলুড়, উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট, দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুর এবং ব্যারাকপুরের ২৩৪ জন রেশন কার্ড হোল্ডারের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
ভোটের আগেই চালু হয়েছিল দুয়ারে সরকার। এরপর ভোট প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূল ক্ষমতায় আসলে তাঁর সরকার চালু করবে দুয়ারে রেশন প্রকল্প। সেই প্রতিশ্রুতি মাফিক শুক্রবার থেকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হল দুয়ারে রেশন।




