চলতি মাসেই অর্থাৎ ১লা নভেম্বর থেকে স্টার জলসার পর্দায় শুরু হয়েছে ‘খুকুমণি হোমডেলিভারি’। প্রথম সপ্তাহেই দর্শকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে উঠে এসেছে এই নতুন ধারাবাহিক। খুকুমণির দাপট এবং রান্নার জাদু ইতিমধ্যেই ছাপ ফেলেছে দর্শকদের মনে। সম্প্রতি স্ক্রিপ্ট নিয়ে নেটিজেনদের কাছে সমালোচনার মুখে পড়েছে ধারাবাহিকের পাশাপাশি তার পরিচালকও।
স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর লেখায় এবং পরিচালনায় টিআরপির তালিকায় এক নম্বরে জায়গা পেয়েছে এই নতুন ধারাবাহিক। ইতিমধ্যেই পর্দায় খুকুমণির দাপটের জন্য তাকে দর্শকরা নাম দিয়েছেন ‘লেডি মিঠুনদা’। এই চরিত্র দর্শকদের বেশ মনে ধরেছে তা বোঝাই যাচ্ছে।
ধারাবাহিকে খুকুমণি ইতিমধ্যেই বিহানের সৎ মা, ভাই-বোন, বাবা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সকলকে দাবিয়ে দিয়েছেন। বিহানের প্রতি তাদের ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুকুমণি। যা দর্শকরা বেশ উপভোগ করেছেন। তবে সমপ্রতি একটি ভুল স্ক্রিপটিংয়ের জন্য চরম ট্রেলের মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ধারাবাহিককে।
আরও পড়ুন: অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ, রেস্তোরাঁ খুলছেন বলি গ্ল্যাম শিল্পা শেট্টি
ভাইফোঁটার এপিসোডে সমস্ত বোনেদের দিয়ে বিহানকে ফোঁটা দিইয়েছে খুকুমণি। সব ঠিক ঠাকই চলছিলো কিন্তু হঠাৎ করেই খুকুমণির কাছে শোনা যায় ভাইফোঁটার দিনে নাকি চোদ্দ শাক খাওয়া হয়। সাধারণত কালীপুজোর আগের দিন চোদ্দ শাক খাওয়ার নিয়ম রয়েছে। হঠাৎ করেই এমন ভুল স্ক্রিপটিংয়ের জন্য সমালোচনা সম্মুখীন হতে হল খুকুমণি হোমডেলিভারি’কে।
এই ঘটনার পর থেকেই নতুন ধারাবাহিক নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন দর্শকরা। তাদের কথায় এমন অনেককিছু দেখানো হচ্ছে যা বাস্তবে সম্ভব নয়। যেমন প্রথম দিনেই বিহানের মুখে ফানেল চেপে ধরে তাকে জোর করে পায়েস খাইয়ে দেয় খুকুমণি। যা বাস্তবে একেবারেই অসম্ভব। দর্শকদের দাবি এইভাবে খাওয়ালে যে কারোরই গলায় খাবার আটকে মৃত্যু হতে পারে। তবে সবকিছু উপেক্ষা করে আপাতত খুকুমণির দাপটে মুগ্ধ দর্শকরা।




