দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: দেশের বাজারে মাত্র দু’বছরের মাথাতেই নিজেদের জনপ্রিয় পালসার লাইনআপের একটি মডেল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল বাজাজ অটো (Bajaj Auto)। প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি না হওয়ার কারণেই ভারতের বাজার থেকে পাকাপাকিভাবে সরিয়ে নেওয়া হল বাজাজ পালসার এন১২৫ (Bajaj Pulsar N125)। ডিলারশিপগুলির দাবি, গত তিন-চার মাস ধরে এই বাইকের কোনও নতুন স্টক কারখানায় তৈরি হয়নি বা ডিলারদের কাছে এসে পৌঁছায়নি।
কেন বাজাজ পালসার N125-এর বিক্রি বন্ধ হল? ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে একদম নতুন প্ল্যাটফর্ম ও চ্যাসিস নিয়ে ভারতের বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছিল পালসার N125। এর কার্ব ওয়েট ছিল মাত্র ১২৫ কেজি। তবে পালসারের চিরাচরিত পেশিবহুল বা ‘মাসকুলার’ লুকের পরিবর্তে এই বাইকটিতে একটি হালকা ও স্পোর্টি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছিল। অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় গ্রাহকরা পালসারের কাছ থেকে যে ধরনের ভারী চেহারার প্রত্যাশা করেন, এই মডেলে তা পাওয়া যায়নি।
এছাড়া এই সেগমেন্টের অন্যান্য প্রতিযোগী বাইকগুলিতে এবিএস (ABS) এবং আধুনিক টিএফটি (TFT) কনসোলের মতো ফিচার থাকলেও, N125-এ সেই সুবিধাগুলি ছিল না। পাশাপাশি বাজাজেরই নিজস্ব পালসার ১২৫ এবং পালসার এনএস১২৫ মডেলগুলির সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে এই নতুন বাইকটি।
আরও পড়ুন: 2026 Bajaj Pulsar 220F: ১.৩৬ লক্ষ টাকায় লঞ্চ হল নতুন পালসার, জানুন বিশেষত্ব
রফতানি চলবে, বর্তমান গ্রাহকদের চিন্তার কারণ নেই ভারতে বিক্রি বন্ধ হলেও বাইকটির উৎপাদন এখনই পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। কোম্পানি সূত্রে খবর, নেপাল, পেরু, কলম্বিয়া এবং আফ্রিকার মতো একাধিক বিদেশি বাজারে এই মডেলটির ভালো চাহিদা রয়েছে, তাই সেখানে রফতানি চালু থাকবে।
যাঁরা ইতিমধ্যেই দেশে পালসার N125 কিনেছেন, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। কোম্পানির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাইকটির ওয়ারেন্টি আগের মতোই বহাল থাকবে। এছাড়া এই বাইকের ইঞ্জিনের গঠন অন্যান্য পালসারের মতোই হওয়ায় আগামী বেশ কয়েক বছর অনায়াসেই ডিলারদের কাছে এর খুচরো যন্ত্রাংশ বা স্পেয়ার পার্টস পাওয়া যাবে।




