দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: কলকাতার বাজারে নিজেদের ব্যবসার পরিধি আরও বিস্তৃত করল এমজি মোটর ইন্ডিয়া (MG Motor India)। শহরের প্রাণকেন্দ্র পার্ক স্ট্রিট ও মল্লিক বাজারের সংযোগস্থলে নতুন একটি শোরুম ও শোরুম-সংলগ্ন সার্ভিস সেন্টার চালু করল এই ব্রিটিশ অটোমোবাইল ব্র্যান্ড। ভারতের বাজারে হেক্টর এবং জেএসডব্লিউ এমজি উইন্ডরের মতো মডেলগুলির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে তারা এখন রাজ্যজুড়ে তাদের উপস্থিতি আরও মজবুত করতে চাইছে।
কলকাতার বাজারে এমজির নতুন ঠিকানা পার্ক স্ট্রিট এবং মল্লিক বাজারের মতো কৌশলগত স্থানে নতুন এই শোরুমটি চালুর ফলে শহরের দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার ক্রেতাদের জন্য এমজি গাড়ির অভিজ্ঞতা আরও সহজলভ্য হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই শোরুমটি কেবল গাড়ি প্রদর্শনের জন্যই নয়, বরং ক্রেতাদের বিক্রয়োত্তর পরিষেবা দেওয়ার জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কলকাতার অটোমোবাইল বাজারে প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে, আর সেই বাজারে নিজেদের দখল বাড়াতে এমজি এই ধরণের ফ্ল্যাগশিপ শোরুমের ওপর ভরসা করছে।
কোন কোন মডেল নিয়ে চাহিদা তুঙ্গে? বর্তমানে কলকাতার রাস্তাঘাটে এমজি হেক্টর (MG Hector) এসইউভির জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে আসা জেএসডব্লিউ এমজি উইন্ডর ইভি (JSW MG Windsor EV) মডেলটিও বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্রেতাদের নজর কেড়েছে। এমজি মোটরসের দাবি, শহরের ক্রেতারা এখন প্রিমিয়াম ফিচার এবং শক্তিশালী ইঞ্জিন সমৃদ্ধ গাড়ির দিকে ঝুঁকছেন, যে চাহিদা পূরণে তাদের লাইনআপ যথেষ্ট কার্যকরী। বিশেষ করে শহরের যানজট ও দীর্ঘ যাতায়াতের কথা মাথায় রেখে এমজির অটোমেটিক ট্রান্সমিশন ভ্যারিয়েন্টগুলো বেশি বিকোচ্ছে।
বিক্রয়োত্তর পরিষেবা ও গ্রাহক সুবিধা নতুন এই শোরুমের বিশেষ দিক হলো, এখানে ক্রেতাদের জন্য কাস্টমাইজড ফিন্যান্সিং এবং এক্সচেঞ্জ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সার্ভিস সেন্টারের ক্ষেত্রে আধুনিক ডায়াগনস্টিক টুলস ব্যবহারের ফলে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ অনেক দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। এমজি মোটরস তাদের ডিলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রাহকসেবার গুণগত মান বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
নতুন এই শো-রুম উদ্বোধনের মাধ্যমে এমজি মোটরস কলকাতার বাজারে তাদের নেটওয়ার্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল। আগামী দিনে আরও কিছু মডেল লঞ্চের পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির, যা পশ্চিমবঙ্গের অটোমোবাইল বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে।
আরও পড়ুন: New Industry Policy: জমি জট কাটাতে বড় পদক্ষেপ, ২২ জুনের বাজেটেই নতুন শিল্পনীতির পথে রাজ্য?




