চৈত্র মাসেই প্রবল রোদের তেজ। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। স্বাস্থ্যভবনের তরফে হিটস্ট্রোক এড়াতে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এবার কিছু গাইডলাইন জারি করা হয়েছে নবান্নের তরফে। গাইডলাইনে বলা হয়েছে, জল খেতে ইচ্ছা না করলেও কিছু সময় অন্তর জল খেতে হবে। হালকা রঙের পোশাক পরার কথা বলা হয়েছে। ঢিলেঢালা পোশাক পরার কথা বলা হয়েছে।
দিনের বেলায় বাইরে বেরোলেই ছাতা, টুপি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। ছাতা না থাকলেও অন্য কোনও কাপড় দিয়ে মাথা ঢেকে রাখার কথা বলা হয়েছে। সুষম খাবার খেতে হবে এই সময়। হালকা খাবার খেতে হবে। ফলের মধ্যে শশা, তরমুজ জাতীয় ফল খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। বেলার দিকে বাড়ির বাইরে কম বেরোতে পারলেই ভালো বলে জানানো হয়েছে নবান্নের তরফে। পাশাপাশি শরীর খারাপ হলেই সঙ্গেসঙ্গে চিকিৎসকদের পরাপর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে নবান্নের তরফে।
এর আগে হিটস্ট্রোক এড়াতে স্বাস্থ্যভবনের তরফে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ওআরএস রাখার কথা বলা হয়েছে। যথাযথ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত রাখার কথা বলা হয়েছে হাসপাতালগুলিকে। এছাড়াও সাধারণ মানুষের জন্য সারাদিনে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ছাতা ও টুপি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছিল স্বাস্থ্যভবনের তরফে আগেই। সকাল ৮ টা থেকে বেলা ১০ টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বারবার ঘাড়ে, চোখে ও মুখে জল দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল স্বাস্থ্যভবনের তরফে।