৯২ বছর বয়সে যাত্রা থামালেন আদ্যন্ত মোহনবাগানী কিংবদন্তি ফুটবলার বদ্রু ব্যানার্জি। বর্ষীয়ান ফুটবল খেলোয়াড়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে ট্যুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, কিংবদন্তি ফুটবলার সমর ব্যানার্জির প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। ২০১৬-১৭ সালে রাজ্য সরকার তাঁকে লাইফটাইম এচিভমেন্ট এয়ার্ড সম্মানিত করে। তাঁর পরিবার-পরিজনকে সমবেদনা জানাই।
Anguished by the demise of Samar Banerjee, renowned footballer and excellent sportsman.
GoWB awarded him with the ‘Lifetime Achievement Award’ in 2016-17.
আরও পড়ুন: পুজোর মরসুমে কলকাতার নয়া আকর্ষণ ৩৯ টাকায় গঙ্গাবক্ষে ক্রুজ, দেখুন ভিডিও ও ফটো গ্যালারি
I offer my deepest condolences to his family and fans. He will continue to serve as an inspiration for many.
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 20, 2022
শনিবার ভোর ২.১০ মিনিটে এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বদ্রু ব্যানার্জি। তাঁর খেলোয়াড় জীবনের সবথেকে বড় কীর্তি ১৯৫৬ সালে জাতীয় দল তাঁর নেতৃত্বে মেলবর্ন অলিম্পিকে সেমি ফাইনালে পৌঁছায়। তৎকালীন যুগোশ্লাভিয়ার কাছে চার গোলে পরাজিত হয়। ফুটবলার ও কোচ হিসেবেও সন্তোষ ট্রফি জয়ের রেকর্ড রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
আরও পড়ুন: মিতব্যয়ী বাংলা! ৩.৫ লক্ষ টিকার ডোজ বাঁচিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত রাজ্যের
১৯৩০ সালের ৩০ জানুয়ারির হাওড়ার বালিতে বদ্রু ব্যানার্জির জন্ম। বাড়িতে সবাই ছিল ফুটবল প্রেমী। রোজই ফুটবল নিয়ে বাড়িতে আড্ডা বসাতেন বাবা। সেখানে থেকেই ময়দানের তাবড় তাবড় ক্লাবের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। বদ্রু ব্যানার্জির দাদা রাধনাথ ব্যানার্জিও সে সময়ের খ্যাতনামা ফুটবলার ছিলেন। খেলতে গিয়ে আহত হয়ে অল্প বয়সেই মারা যান দাদা। দাদার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন কিশোর বদ্রু। বলি প্রতিভা ক্লাব থেকে খেলোয়াড় জীবন শুরু বদ্রু ব্যানার্জি। এএপর বিএনআর ক্লাব হয়ে মোহনবাগানে যোগ দেন তিনি। ১৯৫২ সাল থেকে সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে খেলতে শুরু করেন। আট মরসুম মোহনবাগানের হয়েই খেলেন তিনি।