২-৩ মাসের মধ্যে বাকি জেলায় পুরভোট। মঙ্গলবার রায়গঞ্জের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এদিন তিনি বলেন, পুরপ্রশাসক যাঁরা আছেন তাঁরা ভালোভাবে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন। খুব শীঘ্রই পুরভোটগুলো শেষ হয়ে যাবে।
এরপরই তিনি বলেন, আমাকে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক ও সমস্ত পরীক্ষা ও ছুটির তালিকা করে দিন তারপরেই ভোটের দিন ঠিক হবে। এই নিয়ে বিজেপির দাবি, যে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন তা নিয়ে কীভাবে কথা বলতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে ৬ থেকে ৮ দফায় বাকি পুরভোট চায় রাজ্য। এ নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সোমবার মামলায় হলফনামা দিয়ে জানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর আগে রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এপ্রিল মাসের মধ্যেই বকেয়া পুরভোট তারা সেরে ফেলতে চায়
আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল, প্রথম জলপাইগুড়ির গ্রন্থন সেনগুপ্ত
রাজ্যের ১১২টি পুরসভায় এক সঙ্গে ভোট হবে না কেন বলে কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছিল হাইকোর্ট। সোমবার হলফনামা দিয়ে কমিশন জানায়, পর্যাপ্ত ইভিএম না থাকায় তা করানো সম্ভব হচ্ছে না। কমিশনের এই জবাবে শুনানিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিজেপির আইনজীবী পিঙ্কি আনন্দ।




