দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে একটি বেসরকারি স্কুলে দুপুরের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল ১১০ জন পড়ুয়া। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
মঙ্গলবার দুপুরের খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পড়ুয়াদের মধ্যে বমি এবং পেটে ব্যথার লক্ষণ দেখা দেয়। দ্রুত তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, ফুড পয়জনিংয়ের কারণেই এমনটা হয়েছে। পড়ুয়াদের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই অভিভাবকরা স্কুলে ভিড় করেন এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রান্নাঘরে মিলল মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার
ঘটনার তদন্তে নেমে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা যখন স্কুলের রান্নাঘর পরিদর্শন করেন, তখন সেখানে বেশ কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবার এবং মশলা পাওয়া যায়। এগুলি থেকেই খাবারের মান নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। স্কুলের রান্নার জায়গায় পরিচ্ছন্নতার অভাবও স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। একজন স্থানীয় খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক জানান, উদ্ধার হওয়া নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।
প্রশাসনের ভূমিকা ও তদন্ত
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন স্কুলটিকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলের লাইসেন্স বাতিল কেন করা হবে না, তা নিয়ে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হলে স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং ক্যাটারিং সরবরাহকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের সমস্ত স্কুলে মিড-ডে মিলের মান যাচাইয়ের জন্য বিশেষ পরিদর্শক দল গঠন করা হয়েছে।




