করোনার মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় যশ। সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেল যশের দাপট। ইতিমধ্যেই দক্ষিনবঙ্গে শুরু বৃষ্টি-ঝোড়ো হাওয়া।
ঘুর্ণিঝড় যশ মোকাবিলায় ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এনডিআরএফের ১২ টি দলকে মোতায়েন করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা উপকূলে জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট। পর্যটক শূন্য দিঘা, মন্দারমনি, তাজপুর ও শঙ্করপুর। সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে এনডিআরএফ। মাইকে প্রতিনিয়ত সতর্কতামূলক প্রচার চলছে। দীঘা সংলগ্ন এলাকায় ওড়ানো হয়েছে ড্রোন। নজর রাখছে হেলিকপ্টারও। আশপাশের এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।
মাঝ সমুদ্রে শক্তি সঞ্চয় করে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় যশ। সোমবার রাতে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বুধবার দুপুর নাগাদ ওড়িশার পারাদ্বীপ ও বাংলার সাগর দ্বীপের মধ্যবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়বে বলে আশঙ্কা মৌসম ভবনের।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রকে না ছাড়া প্রবীণ ত্রিপাঠী মালদহ রেঞ্জের DIG, রাজ্য পুলিশে বড় রদবদল
স্থলভাগে ঢোকার সময় যশের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে হাওয়া অফিস। দুপুরের পর থেকে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলায় বৃষ্টি শুরু হবে। মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ।