সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে খোড়া বাদশাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আলিপুর আদালত। শনিবার আদলত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। সোমবার ছিল সাজা ঘোষণার দিন।
২০১১ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগণার মগরাহাট থানা এলাকার সংগ্রামপুরে বিষমদ পান করে মৃত্যু হয়েছিল ১৭৩ জনের। নিহতেরা ছিলেন মগরাহাট, উস্তি, মন্দিরবাজার ও ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দা। ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন। দুটি মামলা দায়ের করে সিআইডি। মূল অভিযুক্ত খোড়া বাদশা পালিয়ে বেড়ালেও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করে ধরা সিআইডি। মামলায় মোট ২১ জনের নাম থাকলেও বিচার শুরু হয় ৯ জনের বিরুদ্ধে। তপন মণ্ডল, খোড়া বাদশার স্ত্রী শাকিলা বিবি, স্বপন মাঝি, বক্রেশ্বর মোদক, রফিক ফকির, সইদুল গাজি, ভীম মিস্ত্রিকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেয় আদালত। শম্ভু পাত্র নামে এক অভিযুক্তের আগেই মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা মদ বিক্রি করলেও খোড়া বাদশা মদ তৈরি করেছিল।
মাস খানেক আত্মসমর্পণ করে খোড়া বাদশা। ১০ বছর মামলা চলার পর শনিবার আলিপুর জেলা ও দায়রা আদালত দোষী সাব্যস্ত করে খোড়া বাদশাকে। এর আগেও একটি মামলায় খোড়া বাদশা এবং তার স্ত্রী শাকিলা বিবিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আরও পড়ুন: অবসর নিলেন আলাপন, মঙ্গলবার থেকে কাজ করবেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে
জানা গেছে, মদের নেশা বাড়াতে মিথাইল অ্যালকোহল এবং বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল।