বড় কোনও অঘটন না ঘটলে অবশেষে মহারাষ্ট্রে শিবসেনার নেতৃত্বেই সরকার হতে চলেছে। সেই মতোই দিল্লি এবং মহারাষ্ট্রে শেষ মুহূর্তের তৎপরতা চলছে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। দিল্লিতে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মহারাষ্ট্রের শীর্ষ কংগ্রেস নেতৃত্বের বৈঠকের মধ্যেই সোমবার ফোনে কথা হয় উদ্ধব ঠাকরে ও সনিয়া গান্ধীর। সূত্রের খবর, সনিয়া এদিনই তাঁদের সিদ্ধান্তের কথা শিবসেনাকে জানিয়ে দেবে বলেছেন। অর্থাৎ, কংগ্রেসের তরফে সবুজ সংকেত মিললেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণে যাবে শিবসেনা।
সোমবার সারাদিনই নাটকে ভরপুর ছিল মহারাষ্ট্রের রাজনীতি। রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ারির ডাকে এদিনের মধ্যে শিবসেনাকে তাদের পক্ষে সমর্থন প্রমাণ দিতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে সনিয়া মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতাদের জরুরি ভিত্তিতে দিল্লি ডেকে পাঠান। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের অনেক কংগ্রেস নেতাই এখন চাইছেন, বিজেপিকে বাইরে রাখতে তাঁরা হয় সরকার গঠনে প্রত্যক্ষ অংশ নিন, নতুবা বাইরে থেকে সমর্থন করুন। এই বিষয়টি সনিয়া নিজেই খতিয়ে দেখছেন। বিজেপির ঘোড়া কেনাবেচার চাপানউতোরের মধ্যে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস বিধায়কদের জয়পুরে পাঠানো হয়েছিল। তাঁরাও এদিন দিল্লির বৈঠকে যোগ দেন। সনিয়া জানান, মহারাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই শিবসেনাকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। একদিকে যখন কংগ্রেসের বৈঠক চলছে এবং উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সনিয়ার ফোনে কথা হচ্ছে, তখন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের বাসভবনে বৈঠকে ব্যস্ত বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির সঙ্গে জোট সরকার গড়ার যাবতীয় সম্ভাবনা ভেস্তে যাওয়ার পর এদিন দুপুরে মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ও তাঁর পুত্র আদিত্য। তবে সূত্রের খবর, সেনার দাবি মতো আদিত্য ঠাকরেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানোর পরিবর্তে উদ্ধব ঠাকরেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছে এনসিপি। সবকিছু ঠিকমতো চললে মতাদর্শগত পার্থক্য সত্ত্বেও কংগ্রেস ও এনসিপির সমর্থনে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সরকার গড়তে চলেছে বলে রাজনৈতিক মহলে খবর।
সোমবার সারাদিনই নাটকে ভরপুর ছিল মহারাষ্ট্রের রাজনীতি। রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ারির ডাকে এদিনের মধ্যে শিবসেনাকে তাদের পক্ষে সমর্থন প্রমাণ দিতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে সনিয়া মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতাদের জরুরি ভিত্তিতে দিল্লি ডেকে পাঠান। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের অনেক কংগ্রেস নেতাই এখন চাইছেন, বিজেপিকে বাইরে রাখতে তাঁরা হয় সরকার গঠনে প্রত্যক্ষ অংশ নিন, নতুবা বাইরে থেকে সমর্থন করুন। এই বিষয়টি সনিয়া নিজেই খতিয়ে দেখছেন। বিজেপির ঘোড়া কেনাবেচার চাপানউতোরের মধ্যে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস বিধায়কদের জয়পুরে পাঠানো হয়েছিল। তাঁরাও এদিন দিল্লির বৈঠকে যোগ দেন। সনিয়া জানান, মহারাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই শিবসেনাকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। একদিকে যখন কংগ্রেসের বৈঠক চলছে এবং উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সনিয়ার ফোনে কথা হচ্ছে, তখন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের বাসভবনে বৈঠকে ব্যস্ত বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির সঙ্গে জোট সরকার গড়ার যাবতীয় সম্ভাবনা ভেস্তে যাওয়ার পর এদিন দুপুরে মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ও তাঁর পুত্র আদিত্য। তবে সূত্রের খবর, সেনার দাবি মতো আদিত্য ঠাকরেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানোর পরিবর্তে উদ্ধব ঠাকরেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছে এনসিপি। সবকিছু ঠিকমতো চললে মতাদর্শগত পার্থক্য সত্ত্বেও কংগ্রেস ও এনসিপির সমর্থনে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সরকার গড়তে চলেছে বলে রাজনৈতিক মহলে খবর।




