ব্রিগেড থেকে কোমর বেঁধে বাংলায় প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়লেন নরেন্দ্র মোদী। বললেন, এখানে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হলেই ভারত মাতার আশীর্বাদে সোনার বাংলা তৈরি হবে। আর সেজন্য চাই আসল পরিবর্তন। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলার হৃত গৌরব ফেরানোই এখন থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ, ব্রিগেডে দাঁড়িতে ঘোষণা মোদীর। জানালেন, যতক্ষণ সোনার বাংলা না তৈরি হচ্ছে তিনি শান্তিতে বিশ্রাম নেবেন না।
প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভা ধারে-ভারে আর পাঁচটা নির্বাচনী সভার চেয়ে অনেকটাই আলাদা। বাংলাকে নিয়ে বিজেপির লক্ষ্য খোলসা করতে সেই ব্রিগেডকেই বেছে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
মোদী জানালেন কেন বাংলার মানুষ এবার বিজেপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। তিনি জানালেন, আগামী ২৫ বছরের উন্নয়নের জন্য আমাদের এই ৫ বছর বিনিয়োগ করতে হবে। ২৫ বছর অর্থাৎ ২০৪৭ সাল, স্বাধীনতার শতবর্ষ। নরেন্দ্র মোদী বললেন, সেদিন বাংলা আবার আগের মতো দেশকে নেতৃত্ব দেবে। এটাই আমার স্বপ্নের সোনার বাংলা।
আরও পড়ুন: অন্য অসুখের চিকিৎসার জন্য গেলে কোনও রোগীকে ফেরাতে পারবে না সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, নির্দেশ নবান্নর
কিন্তু সেই সোনার বাংলা তৈরি হবে কীকরে?
তারও জবাব দিয়েছেন মোদী। জানিয়েছেন দরকার আসল পরিবর্তন। যা একমাত্র দিতে পারে বিজেপি।
নরেন্দ্র মোদীর এদিনের বক্তৃতার একটি বড়ো অংশ জুড়ে ছিল সিপিএম তথা বামেদের আক্রমণ। তবে মূলত উন্নয়নের মন্ত্রেই সভা জমালেন মোদী। ভারত মাতার জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই মোদী স্লোগান তুললেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস। বললেন, ভারত মাতার আশীর্বাদে সোনার বাংলা গড়ার কাজ চলবে। আমাদের একটি সুযোগ দিন। যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব কী করে আনতে হয় দেখবে বাংলা। বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলার কিছু নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা
এদিন বিজেপিতে যোগ দেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
তবে এই প্রথম নয়। এর আগে মিঠুনকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। শোনা যায় বাম আমলে সুভাষ চক্রবর্তীর প্রিয় পাত্র ছিলেন মিঠুন। ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে শুরু হল আবার একটা নতুন পথ চলা।




