করোনাকালে ভোট প্রচার নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রত্যক্ষভাবে বিভিন্ন আদালত থেকে শুরু সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে কড়া কথা শোনাচ্ছিল। গত সোমবার, মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব ব্যানার্জি সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে তাদের ভূমিকা নিয়ে তুলোধোনা করলেন। বললেন, ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য একক ভাবে দায়ী নির্বাচন কমিশন। তারপরই শিরোনামে উঠে আসে তাঁর নাম।
মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব ব্যানার্জি। একবার নয়, এর আগেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময় পর্যবেক্ষণ রায় দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক।
এর আগে, কলকাতা হাইকোর্টের অন্যতম সিনিয়র বিচারপতি ছিলেন সঞ্জীব ব্যানার্জি। করোনার প্রথম ধাক্কা রুখতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জির ডিভিশন বেঞ্চ পুজো প্যান্ডেলে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির রায় দিয়েছিল। সেই বেঞ্চে ছিলেন সঞ্জীব ব্যানার্জিও। করোনার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আনতে গতবার কালীপুজোর সময় রাজ্যে বাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারির রায় দিয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের বৈঠকে অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রী।
করোনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় ছাড়াও কলকাতার প্রাইভেট স্কুলগুলিতে ফি কমানো, প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের পছন্দের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়া ও বিয়ে করার স্বাধীনতার পক্ষে সওয়ালের মতো একাধিক উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণ-রায় দিয়েছিলেন এই বাঙালি বিচারপতি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতিতে স্নাতক ও এলএলবি করার পর ১৯৯০ সালে আইনজীবী হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে কাজ শুরু করেছিলেন সঞ্জীব ব্যানার্জি। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০০৬ র মাঝামাঝি থেকে গত বছরের শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতির ভূমিকায় ছিলেন। তারপর দায়িত্ব পান মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির।
