আপনার পা ধরলে যদি আপনি খুশি হন, বাংলার মানুষের জন্য আমি তাও করতে রাজি আছি। কিন্তু দয়া করে এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন। শুক্রবারের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে বদলির নির্দেশ নিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে এভাবেই তীব্র আক্রমণ শানালেন মমতা ব্যানার্জি।
সেই সঙ্গে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মুখ্য সচিবের বদলির যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা প্রত্যাহার করা হোক। প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর কটাক্ষ, এভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি করবেন না। কেন্দ্রকে মমতার তোপ, কেন বারে বারে বাংলাকেই এভাবে অপমান করা হচ্ছে, ভোটের হার কী এখনও মেনে নিতে পারছে না বিজেপি।
এদিন বৈঠক থেকে মমতা একাধিকবার বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ তেগে বলেন, বাংলার হার ওরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না, তাই এই প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।
আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের নামে প্রতারণা রুখতে তৎপর কলকাতা পুলিশ
মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বলেন, ও কত কাজ করে, এত দিনের সার্ভিসে জীবনে একটা কেউ ওর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আনতে পারবে না। যশ এবং কোভিড মোকাবিলায় কত গুরত্বপূর্ন কাজ করছে আলাপন। রাজ্যের সঙ্গে কোন রকম আলোচনা না করে এভাবে একজন অফিসারকে ডেকে নিল! মমতা আরও বলেন, আলাপনের কী দোষ? মুখ্যসচিব বাঙালি বলেই কী তাঁর সঙ্গে এই আচারণ।
সেই সঙ্গে মমতা আরও অভিযোগ করেন, এভাবে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কেন্দ্রের ডেকে পাঠানো অসৌজন্যমূলক আচরণের বহিঃ প্রকাশ।
মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিতপূর্ন মন্তব্য, ভুলে যাবেন না অন্যান্য রাজ্যেও মুখ্যসচিব রয়েছেন। আইএএসদের নিজেস্ব একটি সংগঠন রয়েছে। একজন অফিসারকে এভাবে অপমান করা মানে বাকিদেরও অপমান করা।
উল্লেখ্য শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ নবান্নে কেন্দ্রের কর্মিবর্গ মন্ত্রকের তরফে মুখ্যসচিবকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি আসে। ওই চিঠিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ১০ টায় মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জিকে দিল্লিতে কর্মিবর্গ মন্ত্রকে রিপোর্ট করতে হবে।
আরও পড়ুন: অনিশ্চিত ১৪ মে’র পঞ্চায়েত ভোট, আদালতে সমালোচিত কমিশন




