শোকজ করা হল ঐশী ঘোষকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া সংসদের প্রেসিডেন্ট ঐশী ঘোষকে শো-কজ করল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)।
শোকজ চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্দোলন চলার সময় ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষ বিশৃঙ্খল আচরণ করেছিলেন। তাই তাঁকে শোকজ করা হয়েছে। চিঠি প্রসঙ্গে ঐশী জানিয়েছেন, অতিমারি কালে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ। কিন্তু শুধুমাত্র চিফ প্রোকটরের অফিস খোলা। যাঁর একমাত্র কাজ ছাত্র ছাত্রীদের শাস্তি দেওয়া!
ফেসবুক পোস্টে ঐশী আরও জানিয়েছেন, স্কলারশিপের টাকা আটকে রয়েছে, হোস্টেলের ঘর বরাদ্দ হচ্ছে না, জলের সমস্যা চলছে, ক্যাম্পাসে ভ্যাকসিনেশনের কোনও ব্যবস্থা নেই, এই সমস্যার সমাধান না করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের শাস্তি দিতে ব্যস্ত!
আরও পড়ুন: Epidemic Disease Act: কারা আছেন মহামারী আইনের আওতায়? কারা হবেন দোষী?
জানা গেছে, গত ১১ জুন ঐশীকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। JNU এর অধ্যাপক তথা চিফ প্রোকটর রজনীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, গত ৫ ডিসেম্বর বোর্ড অফ স্টাডিজের মিটিং চলাকালীন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন ঐশীরা। কিন্তু, ২০১৮ সালের এই ঘটনার তিন বছর পর শোকজ নোটিশ কেন? উত্তর মেলেনি।
সাত দিনের মধ্যে শোকজ নোটিশের উত্তর না দিলে ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এদিকে জেএনইউয়ে হামলার ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি দিল্লি পুলিশ। সেই হামলার ঘটনায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে নিগৃহীত হয়েছিলেন ঐশী। তাঁর মাথা ফেটে গিয়েছিল।




