বারবার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ফেরালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে হসপিটালগুলির বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রীর কথা মেনে রাজ্যের ২৩টি বেসরকারি হাসপাতালকে প্রায় ৬ কোটি টাকা জরিমানা করল রাজ্য। জরিমানার প্রায় ৯৫ শতাংশ টাকা আদায় করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদফতর।
জানা গিয়েছে, ২৩টি হাসপাতালের মধ্যে কলকাতায় আছে ২ টি, উত্তর ২৪ পরগনার ১ টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ টি, হুগলিতে ১ টি, নদীয়াতে ৪ টি, বীরভূমের ২ টি, বাঁকুড়ার ৪ টি, মালদহ, মুর্শিদাবাদের ২ টি ও পূর্ব মেদিনীপুরের একটি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম রয়েছে। কলকাতার ২ টি হাসপাতাল বেহালা ও পার্ক সার্কাসে। এই ২ টি হাসপাতালকে মোট ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এরপরেই নাম আছে বীরভূমের। ওই জেলার হাসপাতালগুলিকে প্রায় ১ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে।
স্বাস্থ্যসাথী বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ আসার পরেই ওই হাসপাতালগুলিকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে রোগী ভর্তি নিতে বারণ করা হয়েছিল। জরিমানার টাকা মেটানো হলেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে ফের রোগী ভর্তি চালু হবে বলে জানানো হয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। স্বাস্থ্যসাথী বিভাগের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, অনেক হাসপাতাল আবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে ভালোভাবেই ব্যবসা করছে।
আরও পড়ুন: সপ্তম দফার ভোট বর্ধমান পশ্চিমে, ১৬ আর ১৯-এর ফল কী ছিল? কতটা কঠিন সায়নী-ঐশীদের লড়াই?
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের আওতায় প্রত্যেক বছর ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধে পায় প্রত্যেক পরিবার। চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করে রাজ্য সরকার। হাসপাতালে থাকাকালীন রোগীর সমস্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের পরিষেবা পাওয়া যায় জেলার নথিভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল।




