নতুন মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দপ্তর বন্টন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রদবদলের পর নতুন মন্ত্রীদের যেমন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর দেওয়া হয়েছে, একই ভাবে মন্ত্রিসভার পুরোনো কয়েকজনকেও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পার্থ চ্যাটার্জির তথ্য প্রযুক্তি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাবুল সুপ্রিয়কে। সেই সঙ্গে তাঁকে পর্যটন দফতরেরও মন্ত্রী করা হয়েছে। পরিবহন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন মন্ত্রিসভার নতুন মুখ স্নেহাসিশ চক্রবর্তী। সেচ ও জলপথ মন্ত্রী হয়েছেন পার্থ ভৌমিক। পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলাবেন প্রদীপ মজুমদার। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী হচ্ছেন উদয়ন গুহ।
পরিবহনের পাশাপাশি আবাসন দফতরেরও দায়িত্বে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। রদবদলের পর আবাসন দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অরূপ বিশ্বাসকে। পার্থ চ্যাটার্জির হাতে থাকা পরিষদীয় দফতরের দায়িত্ব সামলাবেন বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চ্যাটার্জি। কৃষমন্ত্রীর পাশপাশি তিনি পরিষদীয় মন্ত্রীও হলেন। সেই সঙ্গে পার্থ চ্যাটার্জির আর একটি দফতর শিল্প ও বাণিজ্য-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। পূর্ত দফতরের দায়িত্ব মলয় ঘটকের হাত থেকে নিয়ে পুলক রায়কে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা পেলেন বন ও স্বনির্ভর-স্বনিযুক্তি দফতরের দায়িত্ব। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস মন্ত্রী হচ্ছেন বিপ্লব রায়চৌধুরী। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর জায়গায় এলেন সত্যজিৎ বর্মণ।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী ছাড়াও মন্ত্রিসভার রদবদলে মন্ত্রীত্ব খোয়ালেন হুমায়ূন কবীর, সৌমেন মহাপাত্র এবং রত্না দে নাগ।




