দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: বিশ্বজুড়ে মোটরস্পোর্টস প্রেমীদের জন্য প্রতীক্ষিত ২০২৬ সালের ফর্মুলা ওয়ান সিজন। নতুন রেগুলেশন বা নিয়মাবলী ঘোষণা করেছে এফআইএ (FIA), যা আগামী বছর থেকে গ্র্যান্ড প্রিক্সের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দিতে পারে। গাড়ির আকার থেকে শুরু করে ইঞ্জিন প্রযুক্তি, সব ক্ষেত্রেই বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে ফর্মুলা ওয়ান।
গাড়ির নকশা এবং ওজন কমানোর উদ্যোগ নতুন নিয়মে গাড়ির আকার এবং ওজন উভয়ই কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানের তুলনায় গাড়িগুলি আরও হালকা হবে, যা সার্কিটের বাঁকগুলোতে দ্রুত গতি তুলতে সাহায্য করবে। অ্যারোডাইনামিক ডিজাইনেও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে পিছনের গাড়িকে ওভারটেক করার ক্ষেত্রে চালকদের সুবিধা হয়। এই পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো রেসিংকে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক এবং উত্তেজনাকর করে তোলা।
ড্রাইভারদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ গাড়ির ওজনে কাটছাঁট করায় চালকদের হ্যান্ডলিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। এফআইএ-র নতুন রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নতুন জেনারেশনের গাড়িগুলো আরও বেশি চটপটে হবে, যা চালকদের দক্ষতার নতুন পরীক্ষা নেবে। পাশাপাশি, সক্রিয় অ্যারোডাইনামিক্সের ব্যবহার চালকদের ড্রাইভিং স্টাইল এবং কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
আরও পড়ুন: মরশুমের প্রথম বড় ম্যাচ গোল শূন্য ড্র, দু’দলেরই বিরক্তিকর রক্ষণাত্মক ফুটবলে হতাশ যুবভারতী
ইঞ্জিন প্রযুক্তিতে আমূল পরিবর্তন ২০২৬ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হলো এর পাওয়ার ইউনিট। হাইব্রিড প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এখন ইলেকট্রিক মোটর এবং দহন ইঞ্জিনের (Internal Combustion Engine) শক্তির অনুপাত হবে প্রায় সমান। এতে একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে, অন্যদিকে গাড়ির শক্তি আগের মতোই অটুট থাকবে। এই প্রযুক্তি আগামী দিনে অটোমোবাইল শিল্পের জন্য একটি মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কেন এই বদল প্রয়োজন ছিল? ফর্মুলা ওয়ানের জনপ্রিয়তা বজায় রাখা এবং প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলা— এই দুই উদ্দেশ্যেই ২০২৬-এর নতুন এই ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছে সংস্থা। কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানো এবং রেসিং স্পোর্টসকে আরও টেকসই করে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। দর্শকদের জন্য প্রতিটি গ্র্যান্ড প্রিক্স যেন আরও বেশি শ্বাসরুদ্ধকর হয়ে ওঠে, সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।




