দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: ষোলো সিসি (160cc) সেগমেন্টে ভারতীয় ক্রেতাদের নজর কাড়ছে হোন্ডা এসপি ১৬০ (Honda SP 160)। স্পোর্টি লুক, উন্নত ইঞ্জিন এবং আকর্ষণীয় ফিচারের মেলবন্ধনে এই বাইকটি মধ্যবিত্তের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠছে। রোজকার যাতায়াত হোক বা হাইওয়ে রাইড, আরামদায়ক সফর নিশ্চিত করতে এই মডেলে হোন্ডার নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
শক্তিশালী ইঞ্জিন ও PGM-FI প্রযুক্তি
এই বাইকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল এর ১৫৯.৬৩ সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। ফোর স্ট্রোক এবং এয়ার কুলড এই ইঞ্জিনে হোন্ডার নিজস্ব PGM-FI (প্রোগ্রামড ফুয়েল ইনজেকশন) প্রযুক্তি রয়েছে। এর ফলে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি ১৩.২৭ বিএইচপি (bhp) পাওয়ার এবং ১৪.৫৮ এনএম (Nm) টর্ক উৎপন্ন হয়। ৫-স্পিড গিয়ারবক্সের সঙ্গে মসৃণ রাইডিংয়ের অভিজ্ঞতা দেয় এই ইঞ্জিন।
মাইলেজ ও দাম
বাইক কেনার ক্ষেত্রে মধ্যবিত্তের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মাইলেজ। হোন্ডার দাবি অনুযায়ী, রাস্তার অবস্থা এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে এই মডেলে প্রতি লিটারে ৪৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া সম্ভব। বাইকটিতে ১২ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক রয়েছে। ভেরিয়েন্ট এবং শহর অনুযায়ী এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে আনুমানিক ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার কাছাকাছি।
আরও পড়ুন: New Hyundai Creta 2027: পুনরায় দেখা গেল নতুন হুন্ডাই ক্রেটার ঝলক, ২০২৭ সালে বাজারে আসার আগেই শোরগোল
উন্নত ব্রেকিং ও আধুনিক ফিচার
সুরক্ষার জন্য বাইকটিতে সিঙ্গেল চ্যানেল অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (ABS) দেওয়া হয়েছে। সিঙ্গেল এবং ডুয়াল ডিস্ক, এই দুটি ভেরিয়েন্টেই বাইকটি উপলব্ধ। ডুয়াল ডিস্ক ভেরিয়েন্টে সামনে এবং পিছনে পেটাল ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। ফুললি ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টারে স্পিডোমিটার, টেকোমিটার, ফুয়েল গেজ, গিয়ার পজিশন ইন্ডিকেটর এবং ঘড়ির মতো প্রয়োজনীয় তথ্য দেখা যায়। বাইকটিতে ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি না থাকলেও উন্নত সাসপেনশন ও ১৭৭ মিলিমিটারের গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এর চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে।




