আইপ্যাকের সদস্যদের আটক করে রাখার ঘটনায় ত্রিপুরায় যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। আগরতলায় গুঞ্জন, আসতে পারেন মমতা ব্যানার্জিও। ত্রিপুরায় সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনই ইঙ্গিত দিলেন বাংলার মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি জানান, পুরো বিষয়টি দিল্লি থেকে নজরে রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই বৃহস্পতিবার আগরতলায় যান ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক এবং ঋতব্রত ব্যানার্জি। আটক টিম পিকের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পর একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন বাংলা থেকে যাওয়া তৃণমূল নেতারা। সেখানেই ব্রাত্য বসু জানান, বাংলায় ভোটের সময় ও তার আগে পরে বিজেপির হাজার হাজার নেতা মন্ত্রী বাংলায় এসেছেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তাঁদের হোটেলবন্দী করে রাখেননি। তাঁদের ওপর নজরদারি চালাননি।
এদিন ব্রাত্য বসু আরও জানান, দলনেত্রীর নির্দেশে এখানে এসেছি। আইপ্যাকের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে আন্দোলন কর্মসূচি গড়ে তুলব। মলয় ঘটক জানান, আমাদের কাছে কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট থাকা স্বত্ত্বেও হেনস্থা হয়েছে। সেই রাজ্যে লেনিন মূর্তি ভাঙার নিন্দাও করেন তিনি।
আরও পড়ুন: বিচ্ছিন্ন লকডাউন সত্ত্বেও শহরাঞ্চলে কর্মসংস্থানে গতি, চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর CMIE রিপোর্টে
এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেছেন, যে ঘটনা ঘটেছে সেটা শুধু অরাজকতা না, জঙ্গলের শাসনকেও ছাড়িয়ে গেছে।
কোভিড বিধি ভাঙার অভিযোগে পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশ ১ অগাস্ট পিকের টিমের সদস্যদের থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে। জানা গেছে আইপ্যাকের ২৩ জন সদস্যেরই কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ।