দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) ২৩তম কিস্তির জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন দেশের কোটি কোটি কৃষক। গত ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে এই যোজনার ২২তম কিস্তির টাকা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি চার মাস অন্তর এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়। সেই হিসেবে জুন মাসের শেষে বা জুলাই মাসের শুরুতে ২৩তম কিস্তির ২,০০০ টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কবে মিলবে আগামী কিস্তির টাকা?
পিএম কিষান যোজনায় বছরে মোট ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এই টাকা তিনটি সমান কিস্তিতে কৃষকদের দেওয়া হয়। সাধারণ ভাবে এই কিস্তিগুলি এপ্রিল থেকে জুলাই, অগস্ট থেকে নভেম্বর এবং ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে দেওয়া হয়। বিগত কিস্তিটি মার্চ মাসে দেওয়ায়, আগামী কিস্তির সময়সীমা জুলাই মাস পর্যন্ত রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে ২৩তম কিস্তি দেওয়ার নির্দিষ্ট কোনও দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি।
eKYC সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক
পিএম কিষানের পরবর্তী কিস্তির সুবিধা পেতে হলে কৃষকদের ই-কেওয়াইসি (eKYC) সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক। যে সমস্ত কৃষক এখনও পর্যন্ত নিজেদের অ্যাকাউন্টের ই-কেওয়াইসি করাননি, তাঁরা আগামী কিস্তির ২,০০০ টাকা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। এর পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত থাকাও অত্যন্ত জরুরি। আধার লিঙ্ক না থাকলে বা জমির নথিতে কোনও ভুল থাকলে টাকা আটকে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: আমজনতার মুখে হাসি, ধনতেরাসের আগে কমলো সোনার দাম
কী ভাবে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করবেন?
কৃষকরা খুব সহজেই পিএম কিষান পোর্টালে গিয়ে ওটিপি নির্ভর ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করতে পারেন। এ ছাড়া, নিকটবর্তী কমন সার্ভিস সেন্টারে (CSC) গিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমেও এই কাজ করা সম্ভব। পিএম কিষানের মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করেও ফেস অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি করা যেতে পারে।
অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করার পদ্ধতি
নিজের অ্যাকাউন্টের স্ট্যাটাস চেক করতে হলে পিএম কিষানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (pmkisan.gov.in) যেতে হবে। সেখানে ‘ফার্মার্স কর্নার’ অংশে গিয়ে ‘বেনিফিশিয়ারি স্ট্যাটাস’ বা ‘নো ইওর স্ট্যাটাস’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ক্যাপচা কোড দিলেই স্ক্রিনে পেমেন্টের সমস্ত তথ্য দেখা যাবে। সেখানে যদি ‘আন্ডার ভেরিফিকেশন’ বা ‘উইথহেল্ড’ লেখা থাকে, তবে দ্রুত প্রয়োজনীয় নথি আপডেট করতে হবে।
কৃষকদের সুবিধার্থে সরকার সমস্ত ব্যবস্থা ডিজিটাল করে দিয়েছে, ফলে ঘরে বসেই অ্যাকাউন্টের অবস্থা জেনে নেওয়া সম্ভব।




