চতুর্থ দিনের দিল্লি সফরেও একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। বৃহস্পতিবার তিনি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গড়করির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে রাজ্যের সড়ক ও পরিবহন নিয়ে একাধিক দাবি দাওয়া পেশ করেছেন বলে জানান মমতা।
গড়করির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা ব্যানার্জি। বলেন, রাজ্যে সড়ক ব্যবস্থার সম্প্রসারণ-এর কথা জানিয়েছেন তিনি। বনগাঁ ও পেট্রাপোল সীমান্তের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য বারসাত-বনগাঁর জন্য সড়কের আবেদন করেছেন তিনি।
যশ পরবর্তী সময়ে সুন্দরবন ও দীঘার একাধিক রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুই উপকূলবর্তী অঞ্চলে সড়ক সম্প্রসারণ-এর আবেদন জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি ও সেবক রোডে বর্ষায় ধস নামে। উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন এবং বিকল্প সড়কের কথাও বলেছেন। রাজ্যের একাধিক জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থা। সেগুলির মেরামতির প্রয়োজন। এদিন বৈঠকের এ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তৃণমূল নেত্রী। তিনি আরও বলেন, যেহেতু কলকাতার জনসংখ্যা বেশি, শহরে আরও কিছু উড়ালপুলের দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর কাছে।
আরও পড়ুন: অভিষেক: ত্রিপুরা আসব শুনে আমার স্ত্রীকে CBI চিঠি দিয়েছে, তৃণমূলকে এত ভয় কীসের?
এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের আধিকারিকরা। বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী এদিনও কয়েকটি দলের প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করবেন মমতা। জানা যাচ্ছে, জাভেদ আখতার ও শাবানা আজমিও বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর দেখা করতে পারেন।




