শহরের তুলনায় গ্রামে এখনও সরকারি স্কুলের ওপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই বেশি। এদিকে গ্রামের একাধিক স্কুলে ছাত্র ছাত্রীর তুলনায় শিক্ষকের সংখ্যা একেবারে নগন্য। শিক্ষক হিসেবে যাঁরা নতুন চাকরি পাচ্ছেন তাঁদের অনেকেই গ্রামের স্কুলে গিয়ে শিক্ষকতা করতে চাইছেন না। উল্টে শহরের স্কুলে বদলির জন্য সুপারিশ করছেন। এই অবস্থায় ডাক্তারদের মতো শিক্ষকদের জন্যও বিশেষ নিয়ম করার ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে রাজ্য সরকার।
ডাক্তারি পাশের পর গ্রামের দিকের কোনও হাসপাতালে কাজ করা যেমন বাধ্যতামূলক, ঠিক তেমনভাবেই চাকরি পাওয়ার পর শুরুর কিছু দিন গ্রামের দিকে স্কুলে শিক্ষকতা করাও বাধ্যতামূলক করার ভাবনা রয়েছে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, বাস্তব প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই এই ধরণের নীতি তৈরির কথা ভাবছে রাজ্যের শিক্ষা দফতর। এতে করে গ্রামের দিকে সরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষকের সংখ্যা পর্যাপ্ত করা যাবে।
আরও পড়ুন: জাতীয় সড়কে নেই যানজট, এ রাজ্যের ট্রাফিক ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা বাংলাদেশের মন্ত্রীর




