দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: কেরিয়ারের শুরুর দিকে মুম্বইয়ে নিজের মাথার ওপর একটি ছাদ জোগাড় করা যেকোনো অভিনেতার কাছেই স্বপ্নের মতো। সেই স্বপ্ন পূরণে যখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ব্যাংক লোন, তখন ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan) এবং পরিচালক ফারহা খান।
ব্যাংক লোন পেতে বাধা ২০০৭ সালের অন্যতম সুপারহিট ছবি ‘ওম শান্তি ওম’। এই ছবিতে শাহরুখ খানের বন্ধু ‘পাপ্পু’র চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান শ্রেয়স তলপড়ে। কিন্তু সেই সময় পারিশ্রমিক খুব একটা বেশি ছিল না তাঁর। সম্প্রতি পরিচালক ফারহা খানের ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে এসে শ্রেয়স জানান, সেই সময় মুম্বইয়ে একটি বাড়ি তাঁর পছন্দ হলেও ব্যাংক থেকে হোম লোন পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত যোগ্যতা তাঁর ছিল না।
শাহরুখের প্রযোজনা সংস্থার চিঠি ব্যাংকে গিয়ে লোন পাস না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেতা। তখন ব্যাংকের এক মহিলা আধিকারিক তাঁকে জিজ্ঞেস করেন যে তিনি বর্তমানে কোন ছবিতে কাজ করছেন। শ্রেয়স ‘ওম শান্তি ওম’, শাহরুখ খান এবং ফারহা খানের নাম বলা মাত্রই ওই আধিকারিক তাঁকে বলেন, এঁদের কাছ থেকে একটি চিঠি এনে দিতে পারলে লোন পাস হয়ে যেতে পারে। এই কথা শোনা মাত্রই ফারহা খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন শ্রেয়স।
রাতারাতি ভাগ্যবদল বিষয়টি জানতে পেরেই দ্রুত পদক্ষেপ করেন ফারহা। মাত্র দুদিনের মধ্যে শাহরুখ খানের প্রযোজনা সংস্থা থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জোগাড় করে শ্রেয়সের হাতে তুলে দেন তিনি। আর সেই চিঠির জোরেই মুহূর্তে পাস হয়ে যায় অভিনেতার হোম লোন। এই গল্প শুনে ফারহা রসিকতা করে বলেন, ওই ছবির জন্য তাঁরা শ্রেয়সকে সত্যিই খুব সামান্য টাকা দিয়েছিলেন। আগামী দিনে শ্রেয়সকে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ এবং ‘গোলমাল ৫’-এর মতো বড় বাজেটের ছবিতে দেখা যাবে।




