সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে এবার কঙ্গনা রানাউত ও তার দিদি রঙ্গোলি চান্দেলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিল মুম্বইয়ের এক আদালত।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে গত দু’মাস ধরে বলিউডকে কালিমালিপ্ত করা এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করেছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও তাঁর দিদি। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ করে মামলা করেছিলেন সাহিল আশরফ আলি সঈদ নামে বলিউডের এক কাস্টিং ডিরেক্টর। যার ভিত্তিতে শুক্রবার বান্দ্রা ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন কোর্টের বিচারক জায়দেও ওয়াই ঘুলে পুলিশকে কঙ্গনা ও তাঁর দিদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেন। রায়ের কপিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জানান, প্রাথমিকভাবে যা অভিযোগ জমা পড়েছে তাতে অভিযুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলেই মনে হচ্ছে। ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার এবং ট্যুইটার মন্তব্যের ভিত্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

কঙ্গনা ও তাঁর দিদির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ২৯৫এ, ১২৪ ধারায় অভিযোগ এনেছেন অভিযোগকারী। মামলায় কঙ্গনার ট্যুইটারে করা বিভিন্ন মন্তব্যের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীর জানান, বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে ক্রমাগত অপমান করে চলেছেন কঙ্গনা। তারই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মনে দুই ধর্মের বিভাজন টেনে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরিরও চেষ্টা করছেন। এইসব ট্যুইটের পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী তা খতিয়ে দেখা একান্ত প্রয়োজন।

এদিকে মহারাষ্ট্র শিবসেনা সরকারের সঙ্গে কঙ্গনা রানাউতের চাপানউতোরের মধ্যে আদালতের এই নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গত মাসেই কঙ্গনার পালি হিলসের অফিস গুঁড়িয়ে দেয় বিএমসি। সেই নিয়ে উদ্ধব সরকার ও শিবসেনার সঙ্গে বেনজির বিবাদে জড়ান কঙ্গনা। এছাড়া সুশান্ত সিংহ মৃত্যু মামলা, নেপোটিজম, ড্রাগ মাফিয়া, কৃষি বিল ইত্যাদি বিষয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় নিজের অবস্থান জানিয়ে আসছেন কঙ্গনা। যা নিয়ে বিভিন্ন সময় তুমুল বিতর্কও হয়েছে।

ধারাবাহিকভাবে পাশে থাকার জন্য The Bengal Story র পাঠকদের ধন্যবাদ। আমরা যে ধরনের খবর করি, তা আরও ভালোভাবে করতে আপনাদের সাহায্য আমাদের উৎসাহিত করবে।

Login Support us