দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: পটনার জনপ্রিয় শিক্ষক ফয়জল খান ওরফে ‘খান স্যার’-এর বিরুদ্ধে উঠল চাঞ্চল্যকর খুনের অভিযোগ। প্রতিপক্ষ কোচিং সেন্টারের ডিরেক্টর রওশন আনন্দ জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েই দাবি করলেন, তাঁর ছোট ভাইকে সুপরিকল্পিতভাবে খুন করিয়েছেন খান স্যার। এই ঘটনায় বিহারের শিক্ষামহলে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
H2: নেপালে ভাইয়ের রহস্যমৃত্যু ও খুনের অভিযোগ রবিবার নেপালের বিরাটনগরের একটি হোটেল থেকে উদ্ধার হয় রওশন আনন্দের ছোট ভাই প্রিন্স যাদবের মৃতদেহ। গত ২ জুন পটনার ‘খান গ্লোবাল স্টাডিজ’ বা কেজিএস (KGS) কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই প্রিন্স। সোমবার জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ‘জ্ঞান বিন্দু অ্যাকাডেমি’-র কর্ণধার রওশন দাবি করেন, তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছিল। আর সেই সুযোগেই তাঁর ভাইকে নেপালে খুন করানো হয়েছে। তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
H2: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর দাবি রওশনের রওশন আনন্দের অভিযোগ, খান স্যারের নির্দেশেই তাঁর কোচিং সেন্টারে হামলার ভুয়ো নাটক সাজানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। রওশনের দাবি, তিনি জেলে থাকার কারণেই তাঁর ভাইয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং তাঁকে সরিয়ে দেওয়া সহজ হয়। রওশন স্পষ্ট জানান, তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুর পেছনে খান স্যারের সরাসরি হাত রয়েছে এবং তিনি আইনি পথে এর শেষ দেখে ছাড়বেন।
আরও পড়ুন: মেঘালয় ও অরুনাচলে আস্ফপা প্রত্যাহার কেন্দ্রের।
H2: পটনার কোচিং বিবাদ চরমে পটনার মুসাল্লাপুর হাট এলাকায় এই দুই কোচিং সেন্টারের দ্বন্দ্ব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তেজনা রয়েছে। গত ২ জুন রাতে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলা চালায়। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল রওশন আনন্দকে। পরবর্তীতে একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, খান স্যারের নিরাপত্তারক্ষীরা শূন্যে গুলি চালাচ্ছেন। পুলিশ ওই রক্ষীদের গ্রেফতার করলে তাঁরা দাবি করেন, খান স্যারের নির্দেশেই গুলি চালানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে পটনার এই দুই জনপ্রিয় শিক্ষকের বিবাদ এখন আইনি ও অপরাধমূলক পর্যায়ে পৌঁছেছে।