রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে ফের ট্যুইটে তীব্র আক্রমণ শানালেন কুণাল ঘোষ। শনিবার একটি ট্যুইটে শুভেন্দুকে সীমাহীন সুবিধাবাদী বলে তোপ দাগলেন তিনি।
শুক্রবার মুকুল রায়কে PAC চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ব্যানার্জি। মুকুল রায়ের নাম ঘোষণা হতেই প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি। অধিবেশন বয়কট করে বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধী বিজেপি বিধায়করা।
সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শাসকদল তৃণমূলের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, সংসদীয় রাজনীতির সমস্ত রীতিনীতি ভেঙে তৃণমূল মুকুল রায়কে PAC এর চেয়ারম্যান করেছে। তিনি আরও বলেন, শাসকদলের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হিসেবে বিজেপি বিধায়কেরা বিধানসভার কোনও কমিটির চেয়ারম্যানের পদ নেবে না।
আরও পড়ুন: পাখির চোখ বিনিয়োগ; ১২ দিনের বিদেশ সফরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী
যদিও তৃণমূলের দাবি, কোনও রীতিনীতি ভাঙা হয়নি। মুকুল রায় খাতায় কলমে এখনও কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক। সেদিক থেকে বিরোধী দলের বিধায়ককেই PAC চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
আর এই ঘটনা নিয়েই এবার শুভেন্দুকে একহাত নিলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, সস্তা রাজনীতির জন্য BJPর কয়েকজনকে বিধানসভার কমিটির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। শুভেন্দুকে কুণালের খোঁচা, নিজে সব পদ আঁকড়ে বসে থাকবে। প্রতিবাদ করার থাকলে নিজে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিক। সপরিবারে শুধু নিতেই জানে, ওর রাজনীতির জন্য ত্যাগ করবে অন্যরা, কটাক্ষ তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদকের।
LOP= limitless opportunist. সস্তা রাজনীতির জন্য bjpর কয়েকজনকে বিধানসভা কমিটির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে বাধ্য করা হল। আর তুমি নিজে পদ আঁকড়ে বসে। প্রতিবাদের দম থাকলে নতুন বিধায়কদের বঞ্চিত না করে নিজে ইস্তফা দিলে বুঝতাম!! সপরিবারে শুধু নিতেই জানে। ওর রাজনীতির জন্য ত্যাগ করবে অন্যরা।
আরও পড়ুন: পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে শাহ-মমতা, রয়েছেন অন্য রাজ্যের প্রতিনিধিরাও
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) July 10, 2021
ক’দিন আগেই বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কার্যত একই অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর মূল বক্তব্য ছিল, শুভেন্দু কেবল তাঁর পরিবারের প্রাপ্তির দিকে তাকিয়ে রাজনীতি করছেন। দলের দিকে তাঁর নজর নেই। এবার সবকটি কমিটি থেকে বিজেপির নাম প্রত্যাহারের প্রেক্ষিতে একই প্রশ্ন তুললেন কুণাল ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, পদ না নিয়ে প্রতিবাদ করতে হলে প্রথমে শুভেন্দুর বিরোধী দলনেতা পদ ত্যাগ করা উচিত। তা না করে বাকিদের প্রতিবাদের টোপ ফেলে বঞ্চিত করছেন।




