একুশের বিধানসভা ভোটের ফলাফলের পরে সারা দেশে মোদী বিরোধী মুখ হিসেবে মমতা ব্যানার্জির নাম নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছিল।
আর বুধবার মমতা ব্যানার্জির সভা শুনতে দিল্লির কোনস্টিটিউশন হলে একাধিক দলের বর্ষীয়ান নেতৃত্বের উপস্থিতি দেখে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একুশে জুলাই মঞ্চে কার্যত জাতীয় স্তরে বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে নেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটল তৃণমূল সুপ্রিমোর।
এদিন দিল্লির কোনস্টিটিউশন হলে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সং, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, সমাজবাদী পার্টি নেত্রী জয়া বচ্চন। এছাড়াও ছিলেন, ত্রিরুচি শিবা, শিবা সেনা নেত্রী প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী, অকালি দলের নেতা বলবিন্দর সিং ভাণ্ডারি প্রমুখ।
সমস্ত দলের প্রতিনিধির কাছে ২০২৪ এর লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে একপ্রকার মহাজোট গঠনের বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী।
বাংলাকে মডেল হিসেবে তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলা দেখিয়েছে। সব রাজ্যকে বলছি নিজেদের নেতাদের বোঝান। সবাই মিলে ফ্রন্ট বানান। এখন আর বেশি সময় নেই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে তিনি বলেন, এখন নিজেদের স্বার্থ দেখার সময় নয়, সবাই একজোট হয়ে দেশকে বাঁচাতে হবে।
দিল্লি সফরে গিয়ে বিজেপি বিরোধী সব দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করারও ইচ্ছে প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। বলেন, সবাইকে মিলিয়ে ইউনাইটেড ইন্ডিয়া করতে চাই।
সব দলের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন থেকেই জোট বেঁধে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, ভোটের আগে জোট তৈরি করে লাভ নেই।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, জোটের পক্ষে তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তায় জেরে কার্যত ২৪ বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে তিনি যে অন্যতম মুখ হতে চলেছেন তা এক প্রকার স্পষ্ট।

