চিন্তা করবেন না, ঘুরে দাঁড়াবই। কালীঘাটে দলের কোর কমিটির বৈঠকে নেতৃত্বকে বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের রেজাল্টের দু’দিন পরই বেশ কিছু সাংগাঠনিক রদবদল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, এদিন ফের এক দফা বদল করলেন সংগঠনে।
নির্বাচনের পর একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেদিনই ঘোষণা করেছিলেন, ৩১ শে মে ফের বসবেন দলের নেতাদের সঙ্গে। সেই মতো শুক্রবার কালীঘাটে দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মমতা। পর্যালোচনা হয় ভোটের ফলের। লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গ থেকে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তার জেরেই শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন গৌতম দেবকে। এদিন কোর কমিটির বৈঠকেও উত্তরবঙ্গের ফলাফল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। পাশাপাশি দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করতে নিয়মিত জেলা ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন করারও নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের শীর্ষ নেতাদের এই দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছেন তিনি। প্রথম কর্মী সম্মেলন ৭ ই জুন।
দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি সাংগাঠনিক স্তরেও বেশ কিছু রদবদল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের তরফে মালদার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাধন পাণ্ডে ও গোলাম রব্বানি। নদিয়া জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘু সেলের দায়িত্বে এনেছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে। জয় হিন্দ বাহিনীর দায়িত্ব গিয়েছে ব্রাত্য বসুর হাতে। পাশাপাশি, মমতার বার্তা, নিয়মিত তৃণমূল ভবনে বসতে হবে এবং ভোটার লিস্ট সহ যাবতীয় কাজ এখন থেকেই শুরু করে দিতে হবে। কোনও কাজ ফেলে রাখা যাবে না।
আরও পড়ুন: জল্পনা সত্যি, রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রার্থী সুস্মিতাই




