দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: বারাণসীতে (Varanasi) তৈরি হতে চলেছে বিশ্বের উচ্চতম শিবলিঙ্গ (World’s Tallest Shivling)। পুণ্যার্থীদের কাছে কাশীর আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে তুলতে এই বিশাল প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূল কাঠামোর পাশাপাশি এই মন্দির চত্বরে একটি অত্যাধুনিক সংগ্রহশালা বা মিউজিয়াম, বিশাল পার্ক এবং আর্ট গ্যালারিও গড়ে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।
শিবলিঙ্গের বিশেষত্ব ও নকশা কাশী বা বারাণসী যুগ যুগ ধরে শিবভক্তদের প্রধান তীর্থস্থান। এই নতুন প্রকল্পটি সেই ঐতিহ্যের মুকুটে নতুন পালক যুক্ত করবে। প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, এই শিবলিঙ্গ উচ্চতার নিরিখে বিশ্বের সমস্ত পূর্ববর্তী রেকর্ড ভেঙে দেবে। মূল কাঠামোর চারপাশে থাকবে গভীর আধ্যাত্মিক পরিবেশ এবং আধুনিক স্থাপত্যের অপূর্ব মেলবন্ধন। দর্শনার্থীদের ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য বিশাল জায়গাজুড়ে এই পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।
মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারিতে জোর শুধু মন্দির নয়, এই প্রকল্পটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একটি বিশাল পার্ক বা উদ্যানের মাঝে তৈরি হবে অত্যাধুনিক আর্ট গ্যালারি এবং মিউজিয়াম। এই মিউজিয়ামে হিন্দু ধর্ম, দেবাদিদেব মহাদেব-এর পৌরাণিক কাহিনি এবং বারাণসীর প্রাচীন ইতিহাস অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে। গ্যালারিতে থাকবে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য শিল্পীদের তৈরি চোখ ধাঁধানো শিল্পকর্ম।
পর্যটনে নতুন জোয়ারের আশা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে বারাণসীতে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ভিড় আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। কাশী বিশ্বনাথ করিডোর নির্মাণের পর ইতিমধ্যেই বারাণসীর চেহারায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে এবং পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে। বিশ্বের উচ্চতম এই শিবলিঙ্গ এবং সংলগ্ন থিম পার্ক সেই পর্যটন শিল্পে আরও বড় গতির সঞ্চার করবে। স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানেও এর বিপুল ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে প্রশাসন।




