দ্য বেঙ্গল স্টোরি ব্যুরো: অন্নপূর্ণা যোজনার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বড় আশ্বাস দিলেন রাজ্যের নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি জানান, ‘আরও ২ মাসের মধ্যে সবটা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’ বুধবার পোর্টফোলিও বণ্টনে রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তকে অর্থ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর পরপরই তিনি এই ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ৫০ লক্ষেরও বেশি মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩,০০০ টাকা পাঠানো হয়ে গেছে।
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে কী বলা হল?
নতুন দফতরের দায়িত্ব নিয়েই স্বপন দাশগুপ্ত অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক চাপের বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, ‘মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ বাড়ছে। ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, অন্নপূর্ণা যোজনা ৩ হাজার করব, বার্ধক্য ভাতা বাড়াব। আস্তে আস্তে আমরা বাস্তবায়িত করছি।’ তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে প্রকল্পটি ‘ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস’ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ রূপায়ণ সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী।
লক্ষ্মীর ভান্ডারের ত্রুটি দূর করা প্রসঙ্গে
পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের তুলনায় অন্নপূর্ণা যোজনায় কঠোর শর্ত আরোপ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগের প্রকল্প ইউনিভার্সাল প্রকল্প ছিল। আপনি গিয়ে আবেদন জানিয়ে নিয়ে নিতে পারতেন। অনেকে পকেট মানি হিসেবেও এটা ব্যবহার করেছিল। কেবলমাত্র মহিলারাই নন, জেন্ডার নিউট্রাল হয়ে গিয়েছিল বলেও শোনা যায়। ফলে সেখান থেকেও বেঁচে যাবে।’ নতুন প্রকল্পে যোগ্যতা যাচাই কঠোর করায় ব্যয় সাশ্রয় এবং সত্যিকারের উপকারভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছানো সুনিশ্চিত হবে বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণার আগেই সক্রিয় নির্বাচন কমিশন! অপসারিত ভোটে যুক্ত রাজ্যের ৩ কর্তা
বর্তমান অগ্রগতি
৩ জুন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনার পর থেকে প্রতি সাত দিন অন্তর সুবিধাভোগীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারীর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ইতিমধ্যে ৫০ লক্ষেরও বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে গেছে। নতুন আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন পোর্টাল socialregistry.wb.gov.in এবং অফলাইনে পঞ্চায়েত-ব্লক অফিসে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬।