সপ্তমীর দিন রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিপোর্ট পেশ করল পূর্ত দফতর। আগুন লাগার জন্য পূর্ত দফতরের কর্মীদেরও দায়ী করা হয়েছে রিপোর্টে। কর্মীদের গাফিলতির জেরেই আগুন, উল্লেখ পূর্ত দফতরের রিপোর্টে।
পূর্ত দফতরের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সপ্তমীর দিন নবান্নের ছাদে টার শিট লাগানোর কাজ চলছিল। টার শিট লাগানোর জন্য বার্নার দিয়ে সেগুলো গরম করতে হয়। বার্নার জ্বালিয়ে গরম করার সময়ই বিপত্তি। ছাদেই কতগুলি মোবাইল টাওয়ার ছিল, টাওয়ারের কিয়স্কে থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই টার শিট লাগানোর কাজ করছিলেন যাঁরা, তাঁদের গাফিলতিতেই আগুন লাগে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
সপ্তমীর দিন সকাল ১০.৩০ নাগাদ হঠাৎ নবান্নের ছাদে ধোঁয়া দেখতে পান পথচারীরা। আগুনের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যেখানে বসেন, সেই ১৪ তলাতেই মূলত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যার জেরে রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়। রাজ্যের শীর্ষ অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
আরও পড়ুন: সপ্তাহের প্রথম দিন ব্যাহত হাওড়া-খড়্গপুর শাখার ট্রেন চলাচল, ভোগান্তির শিকার অফিস যাত্রীরা
দুপুর ১২.৩০ এর মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা না ঘটলেও নবান্নের মতো হাই সিকিউরিটি জোনে আগুন লাগার ঘটনায় নানান প্রশ্ন দানা বাঁধে। এই ঘটনায় পূর্ত দফতরকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়। একজন চিফ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের নেতৃত্বে তদন্ত করে এদিন সেই রিপোর্ট জমা দেয় রাজ্যের পূর্ত দফতর।




