Gold ₹143,700/10g
Silver ₹240.53/g
Petrol ₹113.51/L
Diesel ₹99.82/L
Kolkata 30°C
26 June 2026

মানুষ চাইলে সব পারে, বাড়ির কাজের লোক থেকে কঠিন পরিশ্রম করে আজ অধ্যাপিকা, ‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে এসে সেটাই প্রমাণ করলেন কলকাতার শ্যামলীদেবী

মানুষ চাইলে সব পারে, বাড়ির কাজের লোক থেকে কঠিন পরিশ্রম করে আজ অধ্যাপিকা, ‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে এসে সেটাই প্রমাণ করলেন কলকাতার শ্যামলীদেবী

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় গেম রিয়্যালিটি শো হল ‘দিদি নম্বর ১’। এই শো রচনা ব্যানার্জীর সঞ্চালনা ছাড়া একেবারেই অসম্পূর্ণ। সঞ্চালনা অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে। এই রিয়্যালিটি শো শুরু হওয়ার পর থেকেই নানা জায়গা থেকে মানুষ এই মঞ্চে লড়াই করে বেঁচে থাকার গল্প বলতে আসেন। জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অনুপ্রেরণা দেন একাধিক মানুষকেও। যা অনেক প্রতিযোগিরা দিদি নাম্বার ১-এর মঞ্চে এসে নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন।

সম্প্রতি তেমনি এক লড়াকু দিদির জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প ভাইরাল হয়েছে গোটা সোশ্যাল মিডিয়ায়। দিদি নম্বর ১-এর একাধিক প্রমো ভাইরাল হয়ে থাকে নেটদুনিয়ায়। সম্প্রতি কলকাতার বাসন্তী দেবী কলেজের অ্যাসিস্ট্যান্ট মহিলা অধ্যাপিকা শ্যামলী রায়ের লড়াই করে জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প ভাইরাল হয়েছে।

কথাতেই রয়েছে, ‘কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে’। এক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। একটা সময় ছিল যখন এই অধ্যাপিকা নিজের পড়াশোনার খরচ জড়ানোর জন্য বাড়িতে বাড়িতে কাজও করেছেন। তার মা ছিলেন অসুস্থ। এরপর একটা সময় তার মনে হয়েছিল এই পরিস্থিতিতে বিয়ে করে নিলে হয়তো কিছুটা হলেও সমস্যার সমাধান হবে। এরপর শ্যামলী রায় নিজেই সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন দেখে নিজের সম্বন্ধ নিয়ে চলে যান পাত্রের বাড়ি। শর্ত রেখেছিলেন তার মাকে দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে হবে এবং তাকে পড়াশোনা করার সুযোগ ও স্বাধীনতা দুই দিতে হবে।

আরও পড়ুন: রুক্মিণী ‘ফেভারিট পার্সন’ কে! দেব না অন্য কেউ? দেখুন ভিডিও

তবে সময়ের সাথে সাথে অনেক মানুষ কথা রাখতে ভুলে যান। তেমনটাই ঘটেছিল কলকাতার এই অধ্যাপিকার সাথেও। বিয়ের পর তিনি সন্তানের মাও হন। তবে সন্তান জন্মানোর পরেই তিনি জানতে পারেন তার সন্তানের কিডনির সমস্যা রয়েছে। নিজের সন্তানকে সুস্থ করে তোলা, তাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া সবটাই তিনি নিজে হাতে করেছিলেন ঐ সময়ে। জীবনে যখন কাউকে পাশে পাননি তখন তিনি নিজেই নিজের মনোবল বাড়িয়েছেন।

এরপর ২০১৩ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেন। এরপর তিনি নেট পরীক্ষায় বসেন এবং শেষ পর্যন্ত অধ্যাপিকা হিসেবে অধ্যাপনা করার সুযোগও পেয়ে যান। ২০১৭ সালে বাসন্তী দেবী কলেজে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে যোগ দেন। তার এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প শুনে তার প্রশংসা করেছেন রচনা ব্যানার্জি নিজেও। তার গল্প নিঃসন্দেহে অনুপ্রাণিত করেছে বহু মানুষকে।

আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলামেলা পোশাকের ছবি আপলোড করে ফের আরও একবার অশ্লীল কটাক্ষের শিকার হলেন ‘মা’ ধারাবাহিকের ঝিলিক

Track Latest News Live on TheBengalStory.com and get news updates from West Bengal and around the world.

Entertainment