Gold ₹144,600/10g
Silver ₹242.02/g
Petrol ₹113.51/L
Diesel ₹99.82/L
Kolkata 32°C
2 July 2026

গান্ধীজি থেকে শরৎচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথের রসিকতা থেকে বাদ যাননি কেউ; কবিগুরুর জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক সে সব মজার মুহূর্ত 

গান্ধীজি থেকে শরৎচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথের রসিকতা থেকে বাদ যাননি কেউ; কবিগুরুর জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক সে সব মজার মুহূর্ত 

বিশ্বকবির ব্যক্তিত্বের সঙ্গে রাশভারী শব্দটা জুড়ে থাকবে সেটাই খুব স্বাভাবিক। তবে কবিগুরুর ঘনিষ্ঠ মহলে যাঁরা থাকতেন। যাঁরা খুব কাছ থেকে তাঁকে দেখেছেন, তাঁদের কাছ থেকে জানা যায়, বিশ্বকবির একটা মজার দিকও ছিল। তাঁর প্রমাণ পেয়েছে অনেকেই। জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী থেকে শুরু করে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রত্যেকেই ‘টের’ পেয়েছিলেন কবিগুরুর সেই অচেনা দিকের। তাঁর জন্মদিনে রইল তেমনই কিছু ঘটনা। 

রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধীজি 

একবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গান্ধীজি একসঙ্গে খেতে বসেছেন। কবির প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম ছিল লুচি। অথচ গান্ধীজির লুচি একেবারেই ‘না পসন্দ’। তাই তাঁকে দেওয়া হয়েছে ওটসের পরিজ। ওদিকে কবি তখন ফুলকো লুচিতে পরম তৃপ্তিতে কামড় দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথের লুচি খাওয়া দেখে গান্ধীজি বলে বসলেন, গুরুদেব আপনি জানেন না যে, আপনি বিষ খাচ্ছেন।  এর উত্তরে কবিগুরু তাঁর স্বভাবসিদ্ধ বাচনভঙ্গিমায় বলেছিলেন, বিষ হলেও এর প্রতিক্রিয়া খুব ধীরে হয়। আমি বিগত ষাট বছর ধরে এই বিষ খাচ্ছি। 

আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে জয় রাজ্যের, পঞ্চায়েতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা আসনে ফল ঘোষণা করতে পারবে কমিশন

রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র 

কবির জোড়াসাঁকোর বাড়িতে মাঝে মধ্যেই সাহিত্যের আসর বসত। স্বাভাবিকভাবেই সে সময়ের বহু খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব সেই আসরে উপস্থিত থাকতেন। শোনা যায় সেই সাহিত্য আসরে মাঝে মধ্যেই এসে হাজির হতেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। জানা যায়, একবার ওই আসর থেকে কথাসাহিত্যিকের জুতো চুরি হয়ে যায়। পরেরবার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে তাঁর জুতো জোড়া কাগজ মুড়ে বগলদাবা করে সাহিত্য আসরে উপস্থিত হন। আর সেই খবরটি কবিগুরুকে কেউ একজন জানিয়ে দেন। নতুন উপন্যাসের খসড়া পড়ে শোনানোর মাঝে রবীন্দ্রনাথের প্রশ্ন, শরৎ তোমার বগলে ওটা কী? পাদুকাপুরাণ ? 

রবীন্দ্রনাথ ও মরিস সাহেব 

আরও পড়ুন: ছাঁটাই করবেন না, বেতন কমাবেন না, ঐতিহ্যবাহী EPW র মালিককে চিঠি সংস্থারই প্রাক্তন সাংবাদিক-সম্পাদকদের

শান্তিনিকেতনে দেশ বিদেশ থেকে বহু অধ্যাপক পড়াতে আসতেন। তাঁদের মধ্যেই একজন ছিলেন, মরিস সাহেব। তিনি ফরাসি পড়াতেন। একদিন সাহেব তাঁর ছাত্র প্রমথনাথ বিশীকে বললেন, গুরুদেব সুগার অর্থাৎ চিনি নিয়ে একটা গান লিখেছেন। গানটা বেশ মৃষ্টি হয়েছে। এই কথা শুনে প্রমথনাথ বিশী মজা পেয়ে বললেন চিনি নিয়ে গান লিখলে তাতো মিষ্টি হবেই। কিন্তু গানটি কী ? সাহেব জানালেন গানটি হল, আমি চিনি গো চিনি তোমারে, ওগো বিদেশিনী। সাহেবের উত্তর শুনে আকাশ থেকে পড়লেন প্রমথনাথ। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এই চিনি যে সুগার, এই তথ্য আপনাকে কে দিল? মরিস সাহেবের উত্তর, কেন গুরুদেব নিজেই তো তাঁকে একথা জানিয়েছেন। 

   

Track Latest News Live on TheBengalStory.com and get news updates from West Bengal and around the world.

Editor's choice