শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা রক্ষীর অস্বাভিক মৃত্যুর মামলায় নয়া মোড়। কাঁথি থানার তৎকালীন আইসিকে তলব ভবানী ভবনে।
মঙ্গলবার ভবানী ভবনে কাঁথি থানার তৎকালীন আইসি এবং এক এএসআইকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডির আধিকারিকরা। কাঁথি থানার এক কনস্টেবলকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এই ঘটনায় এর আগে দু’বার শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি গিয়েছে সিআইডি। শান্তিকুঞ্জ-এর বিপরীতে নিরাপত্তা রক্ষীদের থাকার জায়গা ঘুরে দেখেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তৃণমূল সাংসদ দিবেন্দ্যু অধিকারীর সঙ্গেও কথা বলেন সিআইডির অফিসাররা। নিরাপত্তা রক্ষীদের থাকার জায়গা সহ আশেপাশের এলাকার ভিডিওগ্রাফিও করেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: বেনজির পদক্ষেপ কমিশনের, ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী
শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ছাড়াও কাঁথি থানাতেও যায় তদন্তকারী দল। সেই সঙ্গে মৃত শুভব্রত চক্রবর্তীর বাড়ির লোকেদের সঙ্গেও কথা বলে সিআইডি।
উল্লেখ্য ২০১৮ সালে শুভেন্দুর নিরপত্তারক্ষীর গুলি বৃদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল। বিরোধী দলনেতা তখন রাজ্যের মন্ত্রী।
এই ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর অস্বভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় থানায় এফআইআর দায়ের করেন মৃতের স্ত্রী সম্পূর্ণা কঞ্জিলাল চক্রবর্তী। সেই অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীরও।
সম্পূর্ণার দাবি, তাঁর স্বামীর মৃত্যুতে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। ঘটনার সময় পরিস্থিতি অন্যরকম থাকায় তিনি আতঙ্ক-এ মুখ বন্ধ রেখেছিলেন, কিন্তু এখন অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান।
এদিকে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র রাজনৈতিক চাপানোউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধী দলনেতার দাবি, তৃণমূল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। এভাবে তাঁকে আটকানো যাবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।




