খালি চোখে দেখলে এই আই লিগের সব থেকে সহজ প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্ডিয়ান অ্যারোজ। দলে কোনও বিদেশি ফুটবলার নেই। সব ফুটবলারদেরই বয়স কুড়ি বছরের নীচে। সুতরাং কোনও অভিজ্ঞতাও নেই। আই লিগের টেবলেও তলার দিকে রয়েছে ফেডারেশনের এই দল। কিন্তু এই দলের বিরুদ্ধে নামার আগে যথেষ্ট সতর্ক ইস্টবেঙ্গল। কারণ ইতিমধ্যেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নষ্ট করে ফেলেছেন হাইমে কোলাডোরা। নতুন করে পয়েন্ট নষ্ট মানে লিগের ট্রফিটা আরও দুরে সরে যাবে। সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্টের। ইন্ডিয়ান অ্যারোজ দল নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ বাস্তব রায় বলছেন, ‘ফেডারেশনের এই দলের ফুটবলারদের ফুটবলের টেকনিক্যাল দিকটা বেশ ভালো। ফিটনেস লেভেল দারুণ। তাই আমরা যদি হালকা ভাবে নিই বড় সমস্যায় পড়ে যাব।’
শেষ চেন্নাই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয় অক্সিজেন দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। আই লিগের স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রেখেছে সমর্থকদের। কিন্তু লিগের লড়াইয়ে ফিরে আসতে গেলে এখন পরপর ম্যাচ জিততে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। কার্ড সমস্যা কাটিয়ে শনিবার ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে ফিরছেন মার্তি ক্রেসপি। এবারের আই লিগে এই প্রথম ছয় বিদেশি হাতে নিয়ে নামবে ইস্টবেঙ্গল। শনিবার সকালে কলকাতায় চলে আসছেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন হেড কোচ মারিও রিভেরা। এখন দেখার মারিওর আমলে প্রথম ম্যাচেই জয় দিয়ে শুরু করতে পারে কিনা ইস্টবেঙ্গল।
আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ পরিত্যক্ত, তাই জিতেও চাম্পিয়ন ঘোষিত হল না পিয়ারলেস




