নাগরিকপঞ্জি নিয়ে দেশজোড়া বিতর্কের মাঝেই তাতে অন্য মাত্রা যোগ করল খসড়া তালিকায় অসমের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দা আনোয়ারা তৈমুরের নাম না থাকা। অভিযোগ, খসড়া তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে সৈয়দা ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম। ১৯৮০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে ১৯৮১ সালের জুন মাস পর্যন্ত অসমের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৭২, ১৯৭৮, ১৯৮৩ এবং ১৯৯১ সালে কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক পদে নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৮৮ সালে রাজ্যসভার সদস্যও ছিলেন তিনি। সৈয়দা জানিয়েছেন, শারীরিক সমস্যার জন্য তিনি এখন ছেলের কাছে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। কিন্তু নাগরিপঞ্জির খসড়া তালিকায় নাম নথিভুক্ত করার জন্য যাবতীয় নথি তিনি পাঠিয়েছিলেন। তারপরেও তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের নাম সেখানে না থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আপাতত খসড়া তালিকায় ফের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশে ফিরেছেন এই বর্ষীয়াণ রাজনীতিবিদ। ২০১১ সালে সৈয়দা কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দেন সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টে। শনিবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল হইচই শুরু করেছেন বিরোধীরা। গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মুখপাত্র আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাঁরা এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করছেন। উল্লেখ্য, দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আহমেদের পরিবারের সদস্যদেরও নাম বাদ গিয়েছে নাগরিকপঞ্জির খসড়া তালিকা থেকে।
নাগরিকপঞ্জির খসড়া তালিকা থেকে বাদ অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম, বিতর্ক
নাগরিকপঞ্জি নিয়ে ফের বিতর্ক, তালিকায় ঠাঁই পেলেন না অসমের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ আনোয়ারা তৈমুর

Track Latest News Live on TheBengalStory.com and get news updates from West Bengal and around the world.
Categories
Editor's choice
Leave a Reply