নাইজেরিয়া সফর সেরে রবিবার সকালে দিল্লি ফিরলেন যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত বিদেশ প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন সাংবাদিক এম জে আকবর। এদিন দিল্লি ফিরে প্রথমেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি আকবর। আর তাতেই জল্পনা শুরু হয়ে যায়, আকবর ইস্তফা দিচ্ছেন। দিল্লিতে এমনও রটে যায়, তিনি ইস্তফা পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
কিন্তু এদিন বিকেলেই ইস্তফার সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে আকবর জানিয়ে দিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে, বানানো এবং নির্বাচনের আগে বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে। যাঁরা অভিযোগ করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী।
অন্তত ৬-৭ জন মহিলা প্রাক্তন সাংবাদিক এবং সম্পাদক এম জে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা এবং অভব্যতার অভিযোগ এনেছেন। যার জেরে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে কংগ্রেস এবং সিপিএম। এমনকী কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্দরেই অনেকে মনে করছেন, আকবরের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তাতে পদত্যাগ করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে তাঁর মুখ খোলা উচিত। তবে বিজেপির অন্দরে ভিন্ন মতও শোনা যাচ্ছিল। সামনে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন এবং তারপরই লোকসভা নির্বাচন। এর মধ্যে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগেই আকবর ইস্তফা দিলে ভোট বাক্সে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে বলে মনে করছে দলের একাংশ। তাঁদের আরও দাবি, আকবর মন্ত্রিত্বে থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নেই, সব অভিযোগই আগের। তাও অভিযোগকারীরা কেউ এখনও পুলিশে অভিযোগ জানাননি। তাই ইস্তফা দিলে বিরোধীদের দাবিই মান্যতা পেয়ে যাবে।
এই পরিস্থিতে, রবিবার বিকেলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হেনস্থার সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আকবর দাবি করেন, সব অভিযোগ মিথ্যে এবং ভিত্তিহীন। এই ধরনের বানানো অভিযোগ কেন হঠাৎ করে সাধারণ নির্বাচনের আগে আনা হল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আকবর জানান, যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই মিথ্যে অভিযোগ এনেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করবেন।
আরও পড়ুন: রবিবার আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, শিবসেনার কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত অযোধ্যা, আশঙ্কা গণ্ডগোলের




