সমীক্ষা বলছে, ই-বাস পরিষেবার দিক থেকে চিনের সাংহাই ও চিলির সান্টিয়াগোর পর বিশ্বের তিন নম্বর স্থানে রয়েছে কলকাতা। এরপর চতুর্থ এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে লন্ডন ও তুরস্কের ইজমির। পরিবেশ দূষণ, কালো ধোঁয়ার হাত থেকে শহরকে মুক্ত করতেই বিকল্প পরিবহণের ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য সরকার। সেই পদক্ষেপই এনে দিচ্ছে একের পর এক আন্তর্জাতিক সম্মান।
বর্তমানে কলকাতায় ইলেকট্রিক বাসের সংখ্যা ৮০। পেট্রোল এবং ডিজেল চালিত বাসের বদলে কলকাতার রাজপথে আধুনিক বৈদ্যুতিক বাসের সংখ্যা আরও বাড়াতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।
২০১৯ সালে বিশ্বে ই-বাসের সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৩৬ হাজার। ২০২০ তে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ২৫ হাজার। আশা করা হচ্ছে ২০২৬ এ সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ২০০।
আরও পড়ুন: CBI তদন্তের প্রয়োজন নেই, আনিস মামলায় জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট
শহরকে পরিবেশ বান্ধব করে গড়ে তোলার অন্যতম উপায় বাসকে বৈদ্যুতিকরণ করা। প্রযুক্তিগতভাবে দ্রুত অগ্রগতির পাশাপাশি ই-বাসের পরিধি বৃদ্ধি পেলে শহরের মানুষদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াতও অনেক সহজ হবে। সবচেয়ে বড়ো কথা এই বাস চলাচলে কোনও পরিবেশ দূষণ হয় না।




