জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মূলত দুটি সুপার স্প্রেডার। উত্তর ভারতে কুম্ভ মেলা এবং বাংলা সহ ৫ রাজ্যে ভোট। ভোট চলছে এখনও কিন্তু কুম্ভ মেলা শেষ। বাড়ি ফিরে গিয়েছেন হাজার হাজার ভক্ত। তারা কি সংক্রমণ ছড়িয়ে সত্যিই সুপার স্প্রেডারের ভূমিকা পালন করছেন? এই প্রশ্ন যখন তোলপাড় ফেলছে দেশে, তখনই জানা গেল করোনা কেড়ে নিয়েছে বলিউডের প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক শ্রবণ রাঠোরকে। বলিউডের বিখ্যাত নদিম-শ্রবণ জুটির অন্যতম শ্রবণের প্রয়াণে বলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
এই শোকের আবহেই জানা গেল, সুরকার শ্রবণ এবং তাঁর স্ত্রী বিমলা সম্প্রতি কুম্ভমেলা ঘুরে এসেছিলেন। শ্রবণ-পুত্র সঞ্জীব রাঠোর জানান, হরিদ্বারের কুম্ভ মেলায় গিয়েছিলেন মা-বাবা। সেখান থেকে ফিরেই শ্বাসকষ্টের সমস্যার কথা বাড়িতে জানান। এরপর করোনা পরীক্ষা করলে মা-বাবা, দু’জনেরই রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
সঞ্জীব আরও জানান, আমরা কখনই ভাবিনি যে আমাদের পরিবারকে এরকম কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। আমার বাবা মারা গেলেন, আমি নিজে কোভিড পজিটিভ এবং আমার মাও তাই। বাড়িতে আমাদের সকলের আইসোলেশনে থাকা উচিত। কিন্তু বাবার শেষকৃত্যের জন্য আইসলেশনে থাকতে পারছি না।
আরও পড়ুন: কর্ণাটকে সরকার গড়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি বিজেপির, চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন ইয়েদুরাপ্পা
কুম্ভ থেকে ফেরার পর বেশ কয়েকদিন অসুস্থ ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক শ্রবণ রাঠোর। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর বাড়িতেই ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মুম্বইয়ের মাহিমের এসএল রাহিজা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ক্রমেই তাঁর অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। পরিস্থিতি অতি সঙ্কটজনক বুঝলে শ্রবণকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
৯০ এর দশকে নদিমের সঙ্গে জুটি বেঁধে শ্রবণ একের পর এক হিট গান উপহার দিয়েছিলেন শ্রোতাদের। ‘সজন’, ‘সড়ক’, ‘পরদেশ’, ‘আশিকি’-র মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন এই জুটি।




